“আইনজীবী কেন, আমিই তো মামলা চালাবো না”

আইনজীবী নয়, নাজনীন আক্তার হ্যাপী নিজেই রুবেলের বিরদ্ধে দায়ের করা ‘ধর্ষণ’ মামলা চালাবেন না। তিনি বলেন, ‘আমার তো আইনজীবী দরকার নেই। কারণ আমি তো আগেই বলেছি মামলা চালাবো না। সেখানে আইনজীবী মামলা চালাবে কি চালাবে না সেটার কোনো গুরুত্ব নেই।’

বিয়ের নামে ‘প্রতারণার’ অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেটার রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেওয়া এই নায়িকার আইনজীবী কুমার দেবুল দে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রতি সমর্থন আর রুবেলকে চাপমুক্ত রাখতে তিনি আর হ্যাপীর হয়ে মামলা লড়তে চান না।

বাংলাদেশের জয়ের পর ফেইসবুকে এক স্ট্যাটাসে দেবুল দে লিখেছিলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, একজন পেশাজীবী হিসাবে হ্যাপীর পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। বাংলাদেশের এহেন সফলতায় রুবেলের বিপক্ষে মামলায় লড়ার আমার আর ইচ্ছে নেই এবং তাই হ্যাপীর আইনজীবী হিসাবে এখুনি নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলাম।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হ্যাপী বলেন, ‘আমি তো অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছি রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা চালাবো না। আর কুমার দেবুল দে তো আমার প্রধান আইনজীবী না। আমার প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার পারভেজ আহমেদ। তিনি তো আমার আইনজীবী হিসেবে আছেন। যেহেতু আমি মামলা না চালানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছি, সেখানে আইনজীবী থাকা না থাকার প্রশ্ন আসে না।’

অ্যাডিলেইড ওভালে সোমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের পাওয়া ১৫ রানের জয়ের ম্যাচে প্রতিপক্ষের চার ব্যাটসম্যানকে আউট করেন রুবেল।

রুবেলের বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া ঠেকাতেও হাইকোর্টে গিয়েছিলেন ‘কিছু আশা কিছু ভালবাসা’ চলচ্চিত্রের নায়িকা হ্যাপী। তবে আদালত তার সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি।

ওই মামলা নিয়ে মাসখানেক ধরে তুমুল আলোচনার পর গত মাসের শুরুতে হ্যাপি জানান, রুবেলকে তিনি ‘ক্ষমা করে’ দিয়েছেন। সোমবার বিদেশের মাটিতে রুবেল যখন দেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিতে লড়ছেন, তার কৃতিত্বে ফেইসবুকে একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন হ্যাপীও। ম্যাচের মাঝখানে এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন- “আমি সত্যিই খুব খুশি। উইকেট পেয়েছে। দারুণ দেখিয়েছো বাবু, চালিয়ে যাও।” আর ম্যাচ জয়ের পর রুবেলের উদ্দেশ্যে ‘চুমু’ ছুড়ে দিয়ে হ্যাপী লেখেন, “আমি কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।”

You Might Also Like