জিহাদী জনকে জীবিত চান নিহত হেইন্সের স্ত্রী

‘জিহাদী জন’ হিসেবে পরিচিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মুখোশ পরা সেই শিরñেদকারী মোহাম্মদ এমওয়াজিকে জীবিত দেখতে চান নিহত ডেভিড হেইন্সের স্ত্রী ড্রাগানা হেইন্স।
ড্রাগানা হেইন্স জানান, তার স্বামী ব্রিটিশ ত্রাণকর্মী ডেভিডের হত্যাকারীর ‘সম্মানজনক মৃত্যু’ দেখতে চান তিনি। এটাই তার ‘শেষ চাওয়া’।
ড্রাগানা হেইন্স বিবিসিকে জানান, ‘আমি আশা করি তাকে জীবিত ধরা হবে। তিনি বিচারের মুখোমুখি হবেন। তার সন্মানজনক মৃত্যু হবে। এটা হবে তার হাতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নৈতিক সন্তুষ্টি।’
নিহত স্টিভেন সটলোফের পরিবারের একজন মুখপাত্র জানান, ‘আমরা কোর্টরুমে বসে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দেখতে চাই।’
নিহত জেমস ফোলির মা ডায়ান ফোলি অবশ্য তার ছেলের খুনীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।
মোহাম্মদ এমওয়াজি ওয়েস্ট লন্ডনের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কুয়েতী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক।
খবরে বলা হয়েছে, তার সম্পর্কে আগেই জানত যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা বাহিনী। তবে তদন্ত ও অভিযানের স্বার্থে এমওয়াজির নাম আগে প্রকাশ করেনি যুক্তরাজ্য প্রশাসন।
গত বছরের আগস্টে একটি ভিডিওচিত্রে প্রথম দেখা যায় এমওয়াজিকে। ওই ভিডিওচিত্রে দেখানো হয়, মুখোশধারী এমওয়াজি মার্কিন সাংবাদিকজেমস ফোলির শিরñেদ করেছেন।
এর পর পৃথক পৃথক ভিডিওচিত্রে মার্কিন সাংবাদিকস্টিভেনসটলোফ, ব্রিটিশ ত্রাণকর্মীডেভিড হেইন্স, ব্রিটিশ ট্যাক্সিচালকএ্যালান হেনিংও মার্কিন ত্রাণকর্মীপিটার ক্যাসিগকে শিরñেদের খবর প্রচার করে আইএস। ধারণা করা হয়, এ সব শিরñেদ করেছ এমওয়াজি।
গত মাসে জাপানী জিম্মিহারুনা ইউকাওয়াওকেনজি গোটোর শিরñেদ করে আইএস। তাদের শিরñেদের ভিডিওচিত্রেও এমওয়াজিকে মুখোশ পরিহিত চেহারায় দেখা গেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, ২০০৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে সোমালিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন এমওয়াজি। সোমালী বিদ্রোহী গ্রুপ আল শাবাবের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
ইসলামিক অনুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত বছর সিরিয়া ও ইরাকে ‘ইসলামিক খেলাফত’ ঘোষণা করে আইএস। দেশ দুটির অনেক অঞ্চলই এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে।

You Might Also Like