সন্ত্রাসীদের  বিরুদ্ধে  আইন শৃঙ্খলা  বাহিনী  কঠোর  হবে  না  তো  ঘরে  বসে  থাকবে  নাকি ?

মহিবুল ইজদানী খান ডাবলু :

বর্তমানে দেশে আসলে কি চলছে? একে কি কখনো আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়? মানুষ মারার এই নাশকতায় সাধারণ জনগনের আদৌ কি কোনো সম্পর্ক কিংবা সমর্থন আছে? যদি না থাকে তাহলে বিএনপি জামায়াতকে সাথে নিয়ে কেন আজ করছে এধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড? যারা বিএনপি জামায়াতের সমর্থক তারা বলবেন সরকার যখন আন্দোলনের সকল গণতান্ত্রিক পথ বন্ধে করে দেয় তখন এধরনের পথ অবলম্বন করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তার মানে কি দেশের নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মারার পথ অবলম্বন করতে হবে? সাধারণ জনগনকে আচমকা পেট্রল বোমায় পুড়িয়ে অঙ্গার করাই কি তাহলে বিএনপি জামায়াতের গণতন্ত্র কায়েমের আন্দোলন? বিএনপি জামায়াতের জন্য কি এটাই এখন একমাত্র আন্দোলনের পথ? যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে এধরনের আন্দোলনকে নাশকতা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। তাই দেশের জনগণ বিএনপি জামায়াতের আন্দোলনের নামে এই নাসকতাকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বাংলাদেশের জনগণ বিএনপি জামায়াতের এসকল হামলাকারীদের নাম দিয়েছে “দুর্বৃত্ত। শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তাদের মানুষ পোড়ানো ঘটনা দেখে দেশবাসী আজ হতবাক।

বাংলাদেশের বেলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাসী দমনে সমালোচিত হলেও ইউরোপীয় গণতন্ত্রে সন্ত্রাসীদের সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হয়ে থাকে। সেখানে মানবধিকারের প্রশ্ন কখনো নিয়ে আসা হয় না। অথচ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসা হয় এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা পর্যন্তও করেন কেউ কেউ। সুশীল সমাজ বলে দাবিদার এধরনের বেক্তিরা সন্ত্রাসীদের আচমকা পেট্রল বোমায় যখন নিরীহ মানুষকে জালিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় তখন মানবধিকারের কথা বলেন না। জীবন রক্ষার্থে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বেবস্থা নিলে মানবধিকারের প্রশ্ন তুলেন তারা। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে অঙ্গার করার জন্য বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো মানবধিকারের প্রশ্ন না তুলে উল্টো সরকারকে বলছেন নাশকতা বন্ধে তাদের সাথে সংলাপে বসার কথা। সংলাপে না বসলে নাকি বিএনপি জামায়াতের এই সহিংসতা, সন্ত্রাসী বন্ধ হবে না। অর্থাত সন্ত্রাসীদের সাথে আপোষ করার কথা বলছেন তারা। এরা আসলে সুশীল সমাজ না বিদেশী এজেন্ট।

এদিকে দেশের জনগনের সমর্থন হারিয়ে বিএনপি জামায়াত এখন বিদেশীদের উপর নির্ভর হয়ে পরেছে। তারা সংলাপে বসার জন্য এখন বিদেশীদের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিদেশীরাও নাকি বিএনপিকে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে জামায়াত ছাড়ো, সন্ত্রাসী ছাড়ো তাহলে সংলাপ হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী। তারেক রহমানের জামায়াত প্রেমের কারণে বিএনপি বিদেশীদের এই প্রস্তাব নাকি নাকচ করে দিয়েছে। অথচ বিএনপির একটা বিরাট অংশ চায় দলটি যেন জামায়াতের সঙ্গ পরিতেগ করে। তারা এখনো মনে করেন আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা  করতে হলে বিএনপি একাই একশো। এজন্য জামায়াতের মতো মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটি সংগঠনের কোনো  প্রয়োজন নেইI তাছাড়া এই জামায়াত একদিন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পর্যন্ত করেছে। সুতরাং এধরনের দলের সাথে বিএনপির কোনো সম্পর্ক না রাখাই হবে উত্তম সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে  বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধাI সুতরাং জামায়াতের সাথে বিএনপির সম্পর্ক ভবিষ্যতে আর কখনো মঙ্গল বয়ে নিয়ে আসবে না। জামায়াতকে নিয়ে বিএনপির এই দন্ধ দিন দিন আরো শক্ত আকার ধারণ করছে বলে জানা গেছে। অতিসত্তর বিষয়টির সমাধান হওয়া উচিত বলে বিএনপির শুভাকাংখীরা মনে করেন। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে বর্তমানে পরোক্ষভাবে বিএনপির ড্রাইভিং সিটে বসে পড়েছেন লন্ডন প্রবাসী তারেক রহমান। সেখান থেকেই তিনি নাকি এখন সকল নির্দেশেনা দিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: মতে তারেক রহমান নাকি জামায়াত পরিতেগের কট্টর বিরোধী।

আজ অনেকেরই প্রশ্ন বিএনপি জামায়াত তাদের সমর্থকদের নিয়ে রাস্তায় বের হয়ে আন্দোলন করছে না কেন? যারা সংগ্রামী তাদের তো ভয় করার কথা নয়? আন্দোলনে তো বাধা আসবেই। সরকার আন্দোলন দমনের চেষ্টা করবে। কিন্তু এজন্য পালিয়ে থাকতে হবে কেন? জনগনকে সাথে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় বের হলেই তো সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। জনগন সাথে থাকলে আন্দোলনের গতি আরো শক্ত হয়। তখন সরকার বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। অতীতের ইতিহাসতো তাই বলে। কিন্তু আজকের বাস্তব অবস্থা হলো বিএনপির জামায়াতের বর্তমান আন্দোলনের সাথে জনগনের কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণ জনগণ এখন আন্দোলনে আগ্রহী নয়। তাই বিএনপি জামায়াত জনবিছিন্ন হয়ে আচমকা পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে জনগনের শত্রু হয়ে দাড়িয়েছে। তাদের জনবিচ্ছিন্ন এই নাশকতা দেশকে দিন দিন ধংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির এই জালাও পোড়াও সহিংসতায় উল্টো সরকারই হচ্ছে লাভবান। কারণ পাবলিক সেন্টিমেন্ট সরকারের পক্ষেই যাচ্ছে। এভাবে যে আর বেশি দিন চলা যাবে না তা এখন বিএনপি জামায়াত হারে হারে টের পাচ্ছে। ঢাকার বাহিরে কিছু কিছু শহরে আন্দোলন কিছুটা হলেও রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা সহ বড় বড় শহরে আন্দোলনের কোনো নাম গন্ধ নেই। হরতাল অবরোধের কোনো চিত্র এসকল শহরে চোখে পরে না। যে কারণে খালেদা জিয়ার মনোবল দুর্বল হয়ে পরেছে বলে জানা যায়। তিনি যেভাবে আশা করেছিলেন সারা দেশবেপি আন্দোলন দানা বেধে উঠবে সেভাবে না হওয়াতে এখন তিনি হতাশায় ভুগছেন। তাই বিএনপি এখন নাশকতা কর্মকান্ড থেকে বের হয়ে আসার এক্সজিট খুজছে। অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়া মনে করেছিলেন নিজ বাসভবনে না গিয়ে গুলশান কার্যালয়ে অবস্থান করে হরতাল অবরোধকে শক্তিশালী করে তুলবেন। দীর্ঘদিন স্বইচ্ছায় সেখানে অবস্থান করে কোনো ফলাফল না পেয়ে এখন বাসায় আসার কথা ভাবছেন বলে জানা গেছে। সরকারও চায় খালেদা জিয়া তার বাসভবনে ফিরে আসুন।

বর্তমানে বিএনপি জামায়াতের আন্দোলন পরিচালনা করার মতো কোনো সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী ও জনগনের সমর্থন না থাকাতে তারা নকশালদের মতো লুকিয়ে লুকিয়ে আচমকা পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে নিরীহ জনগনকে পুড়িয়ে মারছে। সিরাজ শিকদারের নিষিদ্ধ সর্বহারা পার্টিও সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে একসময় আচমকা বোমা ফাটিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তারা কখনো সাধারণ জনগনের উপর এভাবে সরাসরি আক্রমন করেনি যা আজ বিএনপি জামায়াত করছে। জামায়াতের কথা না হয় ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। কারণ এরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার পাকিস্থানিদের সাথে হাত মিলিয়ে বাঙালি বুদ্ধিজিবী সহ লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষকে হত্যা করেছিল। সুতরাং তারা ছিল গোড়াতেই বাংলাদেশ ও বাঙালি বিরোধী একটি রাজনৈতিক দল। এজন্যই স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠন আজ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতের সাথে মিলে নাশকতায় কেন জড়িত হলো সেটাই আজ সাধারণ জনগনের কাছে বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে। কেন তারা আজ এমন ক্ষ্যাপার মতো আচরণ করছে দেশের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে? বিএনপিকে এই রূপে দেখার আশা জনগণ কখনো করেনি। বিএনপির আজকের এই নাশকতায় জনগণ দেখছে স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠন  জামায়াত ই ইসলামের ভয়ানক প্রতিচ্ছবি। এই অমানবিক পথ দলটির ভবিষ্যত রাজনীতির জন্য কতটুকু বিপদ ডেকে আনতে পারে আশাকরি দলের নীতিনির্ধারকদের একটু ভেবে দেখা উচিত। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে দেশে এখন বিএনপি জামায়াত যা করছে তা মানবতার জন্য হুমকি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে এমনভাবে আন্দোলন করতে হবে যাতে দেশের মানুষের কোনো ক্ষতি না হয়। দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের আন্দোলনে নামতে হবে। এজন্য জনগনের মনোভাবকে ভালোভাবে উপলব্দি করতে হবে। জনগণ এই মুহুর্তে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত কি না তা যাচাই করে দেখে তারপর বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামা উচিত। কিন্তু তারা তা না করে প্রতিনিয়ত সহিংসার পথ বেছে নিয়ে বরং দিন দিন আরো জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পরছে। যেভাবে হামলা করে পুড়িয়ে নিরীহ মানুষকে এখন হত্যা করা হচ্ছে তাকে কখনো আন্দোলন বলা যায় না। এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন লাশের উপর দিয়ে নয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় যেতে হবে।

বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে  আন্দোলনের সময়  পুলিশের  গুলিতে জনগণকে প্রাণ হারাতে  দেখা গেছে।  কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা  এখন  অন্যরকম। এখানে  পুলিশ  নয়  নিরীহ  জনগনকে দৈনন্দিন  পুড়িয়ে  হত্যা  করছে  বিএনপি  জামায়াত। অর্থাত বিরোধী দল। তাই হয়তো  তথ্য  মন্ত্রী  হাসানুল হক ইনু  বলেছেন,  দানবের  সাথে  মানবের  আলোচনা  হতে  পারে  না।  হরতাল  নয়  অবরোধ  নয়  এটা একটা  নাশকতা। অন্যদিকে  কিছুসংখ্যক  বুদ্ধিজীবী বিএনপি  জামায়াতের  এই  হীন  কর্মকান্ডের  বিরুদ্ধে  কথা  না বলে  তারা  উল্টো  সরকারের  বিরুদ্ধে  অবস্থান  নিয়েছেন।  তারা  বলছেন  মানুষ  হত্যা  করে  সরকার নাকি   ক্ষমতায়  থাকতে  পারবে না।  কিন্তু  এখন তো দেখা যাচ্ছে  ক্ষমতায়  যাওয়ার  জন্য  প্রতিদিন  মানুষ  হত্যা  করছে  বিরোধী  রাজনৈতিক দল   বিএনপি  জামায়াত।  তাহলে অবস্থাটা  এখন কোথায়  গিয়ে  দাড়ালো।  বিরোধী দল বলে  দাবিদার বিএনপি  স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন জামায়াতকে  সাথে  নিয়ে  ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নিরীহ জনগনকে এখন পুড়িয়ে হত্যা করছে।  এপথে কি তারা কখনো  ক্ষমতায় যেতে পারবে ? গণতন্ত্রের  জনই  যদি  বিএনপি  আন্দোলন  করে থাকে  তাহলে  যারা  তাদের আন্দোলনে  শরিক  না  হয়ে  জীবনের  তাগিতে  রাস্তায়  গাড়ি  নামায়  তাদের  পেট্রল  বোমা  দিয়ে  পুড়িয়ে  মারছে  কেন?  দেশের  তথাকথিত এসকল  বুদ্ধিজীবীরা  বিএনপি  জামায়াতের  মানুষ  পুড়িয়ে  মারার  বিরুদ্ধে কথা না বলে  উল্টো  টিভির  টক  শোগুলোতে  সরকারের  সমালোচনায়  বেস্ত।  গণতন্ত্রের  নামে, আন্দোলনের  নামে, নির্বাচনের দাবিতে  বিএনপি জামায়াত কর্তৃক আজ যেভাবে  মানুষ  হত্যা  করা হচ্ছে তাকে একমাত্র সন্ত্রাসী আক্ষা দেওয়া যায় অন্য কিছু নয়।  সুতরাং  এসকল  সন্ত্রাসীদের  বিরুদ্ধে  আইন শৃঙ্খলা  বাহিনী  কঠোর  হবে  না  তো  ঘরে  বসে  থাকবে  নাকি?

বিএনপি জামায়াত জোটের এই বর্বরতা, নির্মমতা, বীভৎসতার বিরুদ্ধে এখন জনগণ প্রতিবাদে এগিয়ে আসছে। শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এধরনের কার্যকলাপ দমন করা সম্ভব নয় বলেই সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন। কারণ তাদের আন্দোলনের নামে এই নাশকতায় জনগনের সমর্থন না থাকাতে বিএনপি জামায়াত নামের এসকল দুর্বৃত্তরা এখন আচমকা আক্রমন করছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির নামে বিএনপি জামায়াত এখন যে সহিংসতা, হরতাল, অবরোধ অগ্নিসংযোগ ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করছে তার বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই হয়তো জন প্রতিরোধ গড়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সিভিল ডিফেন্স। জনগনকে সাথে নিয়ে দমন করতে হবে বিএনপি জামায়াতের এই নাশকতা। আগুন দিয়ে মানুষকে জ্বালানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ পোড়ানোর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, অবরোধ হরতালের নামে কর্মসূচি পালন করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মানবতা বিরোধী অপরাধ করছেন। এভাবে আন্দোলন করে দুনিয়ার কোথাও কেউ দাবি আদায় করতে পারেনি। ইতোমধ্যে মানুষ তাদের প্রতিহত করতে শুরু করেছে। রুখে দাঁড়িয়েছে।

You Might Also Like