তদন্তের মুখোমুখি আল-আমিন

বিশ্বকাপটা যেন অভিশাপ হয়েই এসে দেখা দিল বাংলাদেশের পেসার আল আমিন হোসেনের জন্য। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে শুধু বিশ্বকাপের দল থেকে বহিস্কারই হননি, দেশে ফেরার পর তদন্তের মুখোমুখিও হবেন তিনি। এরপর যে কোন কঠিন শাস্তিও আরোপিত হতে পারে তার ওপর। এর মধ্যে থাকতে পারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও।

শাস্তি কী হবে সে ব্যাপারে কিছু না জানালেও, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘দলের নিয়ম-শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করেছেন আল আমিন। এ কারনে বিশ্বকাপের দলে আর থাকছেন না তিনি। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শেষে ম্যানেজারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিসিবি বিধি নিষেধ ভাঙার ব্যাপারে নিজস্ব তদন্ত করবে।’

একই সঙ্গে বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয় যে, ম্যানেজারের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আর কোন মন্তব্য করতে পারবে না তারা।

গতকাল (রোববার) সকালেই বিসিবির সূত্র মারফত খবর পেয়ে আল আমিনের বহিস্কারের সংবাদটি প্রচার হয়। এরপরই তোলপাড় শুরু হয় বাংলাদেশে। দুপুরের দিকে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদটি প্রচার করে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।

সেখানে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার জানান, রাত দশটার পর বাইরে থাকতে হলে টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু তা না নিয়েই বৃহস্পতিবার রাতে আল-আমিন দশটার পর হোটেলে ফেরেন। বিষয়টি আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থা আকসু তাদের জানায়।

তবে খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, আপাতত কোন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমান মেলেনি এই পেসারের।

You Might Also Like