নাকানিচুবানি খেলো দক্ষিণ আফ্রিকা

মুখোমুখি লড়াইয়ের সব পরিসংখ্যান দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে থাকলেও তাদের নাকানিচুবানি দিয়ে জয় ছিনিয়ে নিলো ভারত। বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ১৩০ রানে বিশাল জয় পায় মহেন্দ্র সিং ধোনির দল।
বিশ্বকাপে এর আগে কখনোই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে না পারার জ্বালা মেটাতেই যেন এদিন মাঠে নামে ভারতীয়রা। টস জিতে ব্যাটিং নেমে শিখর ধাওয়ানের অনবদ্য সেঞ্চুরি ও অজিঙ্কা রাহানের ৭৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ৩০৭ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ে নামে। প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাটিংয়ে উদ্বোধন করতে আসেন হাশিম আমলা এবং কুইন্টন ডি কক। আর ভারতের হয়ে বোলিং সূচনা করতে আসেন উমেস যাদব।
এর আগে ৩০৮ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ডি কককে ফেরান মোহাম্মদ সামি। দলীয় ১২ রানে প্রোটিয়ারা তাদের প্রথম উইকেট হারায়। মিড অফে দাঁড়ানো বিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়ার আগে ডি কক করেন ৭ রান। আর এই প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে কোনো শতক ছাড়াই সাজঘরে ফেরেন ডি কক।
ওপেনার ডি কককে হারানোর পর ব্যক্তিগত ২২ রান করে আরেক ওপেনার হাশিম আমলা মোহিত শর্মার বলে সামির হাতে ধরা পড়েন। এগারোতম ওভারের দ্বিতীয় বলে দলীয় ৪০ রানে ফেরেন আমলা।
দুই ওপেনারকে হারিয়ে বেশ সর্তক ভাবেই ব্যাট চালাচ্ছিল প্রোটিয়ারা। তবে, ২৩তম ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে ফেরেন ডি ভিলিয়ার্স। ব্যক্তিগত ৩০ রান করে রান আউটের শিকার হন তিনি।
ভিলিয়ার্সের দেখানো পথে সাজঘরে ফেরেন ফাফ ডু প্লেসিস। ব্যক্তিগত ৫৫ রান করে মোহিত শর্মার বলে তুলে মারতে গিয়ে মিড অফে শিখর ধাওয়ানের তালুবন্দি হন তিনি। এরপর অশ্বিনের বলে স্লিপে দাঁড়ানো সুরেশ রায়নার হাতে ধরা পড়েন ডুমিনি (৬ রান)।
প্রোটিয়াদের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে দলীয় ১৫৩ রানের মাথায়। ব্যক্তিগত ২২ রান করে রানআউট হয়ে ডেভিড মিলার আউট হওয়ার পর এলবির ফাঁদে পড়ে একই ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন ফিল্যান্ডার। ফলে, সপ্তম উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা।
এরপর দলীয় এক রান যোগ করে ম্যাচের ৩৭তম ওভারে মোহাম্মদ সামির বলে রবিন্দ্র জাদেজার তালুবন্দি হন ডেল স্টেইন। আর কোনো ব্যাটসম্যান ক্রিজে দাঁড়াতে না পারলে ১৩০ রানের পরাজয় বরণ করে প্রোটিয়ারা।

You Might Also Like