যে আশায় আছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি!

দেশের চলমান সংকট নিরসনে বিদেশীরাই এখন ‘শেষ ভরসা’। তাদেরই ‘মুরব্বি’ ভেবে পথ চলতে শুরু করেছে প্রধান দুই দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। জাতিসংঘ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে নিজেদের অনড় অবস্থানের যৌক্তিকতা তুলে ধরছেন দুই দলের নীতিনির্ধারকরা। প্রায় প্রতিদিনই চলছে তাদের নানামুখী কূটনৈতিক তৎপরতা।

দেশের সুশীল সমাজ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যবসায়ীরা চলমান সংকট নিরসনের নানা উদ্যোগ নিলেও তাদের ওপর তেমন আস্থা নেই আওয়ামী ও বিএনপির। ফলে গত প্রায় দেড় মাসে তাদের নেয়া উদ্যোগে কোনো কাজে আসেনি। বরং উদ্যোক্তাদের অনেকেই বিরূপ মন্তব্যের শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশীরাই চলমান সংকট নিরসনের ‘শেষ ভরসা’ বলে মনে করছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি।

এছাড়া প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও সংকট উত্তরণে বিদেশী কূটনীতিক এবং দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সহায়তা চেয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ গত ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্টিন হোটেলে কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের সহায়তা চান। বুধবার এই তালিকায় যোগ হয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। সোনারগাঁও হোটেলে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি তুলে ধরা এবং এ থেকে উত্তরণের জন্য কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে দেশের চলমান সংকট এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী নেতারা সংকট উত্তরণে কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সহায়তা চান। জবাবে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট নিজেদের সমস্যা নিজেদেরই সমাধানের তাগিদ দেন।

বাংলাদেশে কর্মজীবন শুরু করার পর মঙ্গলবার প্রথম সংবাদ সম্মেলনেও মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট চলমান সংকট নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের চলমান সংকট নিরসনে নিজেদেরই উপায় খুঁজে বের করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে সহায়তার জন্য অনুরোধ করা হলে বন্ধু হিসেবে তারা সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, নিজেরা আলাপ-আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধান না করে বিদেশীদের শরণাপন্ন হওয়া শুধু লজ্জারই নয়, এটি এক ধরনের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনাও। এতে যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, তেমনি বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ওপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।

চলমান সংকট উত্তরণে সংলাপে বসতে দুই নেত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি চিঠি দেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। বাংলাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেস তারানকোকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয় তার চিঠিতে।

যদিও জাতিসংঘ মহাসচিবের সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, তারা বিএনপির সঙ্গে সংলাপে বসবেন না।

বিএনপি এখনও এই চিঠির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না জানালেও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মইন খান সম্প্রতি ভারতের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র সঙ্গে দেয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে দেশের চলমান সংকট নিরসনে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ সরকার ও বিএনপির মধ্যে সংলাপের আয়োজন করতে ‘শত নাগরিক ফোরামে’র ব্যানারে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে গত ৪ ফেব্রুয়ারি চিঠি দেন। তিনি এই সংগঠনটির আহ্বায়ক।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে লেখা জাতিসংঘ মহাসচিবের এটাই প্রথম চিঠি। অবশ্য নির্বাচনের আগের বছর ২০১৩ সালে তিনি দুই নেত্রীকে সংলাপে বসতে মে ও নভেম্বর মাসে দুই দফা চিঠি লেখেন। পাশাপাশি ওই আগস্টে একই অনুরোধ জানিয়ে দুই নেত্রীকে ফোন করেন তিনি। নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতপার্থক্য দূর করতে জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনানের দূত হিসেবে তারানকো ২০১২ ও ২০১৩ সালে তিন দফায় ঢাকায় আসেন। ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ছয় দিনের জন্য বাংলাদেশ সফর করেন। ওই সফরের সময় তারানকো দুই দলকে আলোচনার টেবিলে বসালেও তাদের মতপার্থক্য দূর করতে পারেননি। বিফল হয়ে তিনি তখন ঢাকা ছাড়েন।

এরও আগে বিদেশী কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা দেশের বিভিন্ন সময়ে সংকট নিরসনে দফায় দফায় উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ব্যর্থ হয়ে দেশ ছাড়েন। দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সরকারি ও বিরোধী দলের সমঝোতার জন্য কমনওয়েলথ মহাসচিব চিফ এমেকা এনিয়াওকু’র বিশেষ দূত হয়ে স্যার নিনিয়ান স্টিফেন ১৯৯৪ সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকায় আসেন।

তিনি প্রায় মাসব্যাপী দুই দলের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় সংলাপের মধ্যস্থতা করেন। সংলাপের এক পর্যায়ে তিনি একটি ফর্মুলা উত্থাপন করেন। কিন্তু স্যার নিনিয়ানের এই প্রস্তাব পক্ষপাতদুষ্ট বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। পরে হতাশ মনে ১৪ নভেম্বর ঢাকা ছাড়েন স্যার নিনিয়ান। এরও আগে ১৯৯৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিব চিফ এমেকা এনিয়াওকু পাঁচ দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। তার এই সফরেরও সুফল মেলেনি।

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক বৃহস্পতিবার প্রতিনিধেকে প্রশ্ন রেখে বলেন, বিদেশীরা এখানে এসে কি করবে? আমাদের সমস্যা সমাধানের পথ আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কারণে-অকারণে বিদেশীদের কাছে ধরনা দেয়া সম্মানজনক নয়। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামসুল হুদা বলেন, বিদেশীরা এসে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবেন, তা কারও কাছেই কাম্য হতে পারে না। সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘অতীতেও এ রকম অনেক উদ্যোগ নেয়ার খবর আমরা দেখেছি। কিন্তু কোনো উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। সমস্যা আমাদের। তাই আমাদেরই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে দেশ অচল হয়ে আছে। প্রতিদিনই মানুষ পুড়ছে। মানুষ মরছে। সংঘাত ও সহিংসতার দিকে যাচ্ছে দেশ। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ। আমদানি-রফতানি বন্ধ। কৃষক-শ্রমিক, দিনমজুরসহ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ দুই রাজনৈতিক দলের কাছে জিম্মি। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দুই দলেরই উচিত সংলাপ-সমাঝোতার পথে সমস্যার সমাধান করা। তা তারা না করে বিদেশীদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন। বিষয়টি শুধু লজ্জারই নয়, দুই প্রধান দলের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনারও বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরও বলেন, কথায় কথায় বিদেশীদের শরণাপন্ন হলে যেমন নিজেকে ছোট করা হয়, তেমনি বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক বছর পূর্তির দিন থেকে টানা হরতাল-অবরোধ দিয়ে আন্দোলনে আছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে পিছু হঠবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে তারা। এর বিপরীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ তাদের শরিক ১৪ দলও অনড় অবস্থান বেছে নিয়েছে। রাজনৈতিকভাবেই ২০ দলীয় জোটকে মোকাবেলার পাশাপাশি তারা আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াওসহ সব ধরনের সংঘাত-সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে। বিএনপিকে মোকাবেলায় রাজপথেও আছে আওয়ামী লীগ।

দুই দল ও জোটের এই মুখোমুখি অবস্থানে উদ্বিগ্ন হয়ে দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির পক্ষে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এটিএম শামসুল হুদা নাগরিক সমাজের ব্যানারে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনকে চিঠি দেন। তিনি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপের উদ্যোগ নিতে এবং বিএনপি চেয়ারপারসনকে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সংলাপে সহায়তার অনুরোধ জানান। এর বাইরে দুই নেত্রীকে সংলাপে বসে চলমান সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন দেশের দুই সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাসদ, জেএসডি, গণফোরাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সংকট উত্তরণে সংলাপের দাবিতে নানা কর্মসূচি দিয়ে রাজপথে আছে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টানা দুই সপ্তাহ ধরে তার মতিঝিলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। অভিন্ন দাবি জানিয়ে রাজধানীতে দু’দফায় শান্তি সমাবেশ করেছে জাতীয় পার্টি। অনশন কর্মসূচিও পালন করেছে তারা। শনিবার একই দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করেছেন বিকল্পধারার নেতাকর্মীরাও।

কিন্তু কিছুতেই বরফ গলছে না। দুই বড় দল কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। ফলে আরও ঘনীভূত হচ্ছে চলমান সংকট। সংলাপ-সমঝোতার পথে না গিয়ে দুই বড় দলই দ্বারস্থ হয়েছে বিদেশী কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের। প্রায় দেড় মাসে অবরোধ-হরতাল-পেট্রলবোমা হামলায় যারা দগ্ধ হয়েছেন এবং যারা পুড়ে মারা গেছেন, তাদের স্বজনদের নিয়ে মঙ্গলবার জাতীয় জাদুঘরে আলোচনা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে সরকারি দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশাপাশি বিদেশী কূটনীতিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে আওয়ামী লীগ বিদেশী কূটনীতিক এবং দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

একই অবস্থা বিএনপিরও। মঙ্গলবার রাতে দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবাধিকার সংক্রান্ত সংসদীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুলশানের কার্যালয়ে বৈঠক করেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ওই বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান সহিংসতা, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ নানা বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে অবহিত করা হয়। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার তথ্যপ্রমাণাদিও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলকে দেয়া হয়।

দুই দল যেমন দ্বারস্থ হচ্ছে বিদেশী কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের, তেমনি সংকট উত্তরণে তারাও বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াডন। ৫ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের বাসায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা বৈঠক করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডব্লিউ গিবসন। বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দল। একই দিন তারা স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গেও বৈঠক করেন।

সুত্র: নিউজ69ডটকম

You Might Also Like