মুরসির বিচার শুরু

কাতারের কাছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন তথ্য পাচার করে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির বিচার শুরু করেছে মিশরের আদালত।
মুরসিসহ আরো ১০ জনের বিরুদ্ধে রোববার এ বিচার শুরু হয়। এ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।
মিশরের ইসলামপন্থি দল মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা মুরসির বিরুদ্ধে ব্যাপক গণআন্দোলনের পর ২০১৩ সালে জুলাইয়ে দেশটির সেনাবাহিনী তাকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে।
আদালতে মুরসির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে। এ সমস্ত মামলা সত্ত্বেও মুরসি নিজেকে দেশের বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দাবি করে আসছেন। নতুন মামলা সম্পর্কে মুরসি বলেন, “আমার কাছে এ আদালতের কোন গুরুত্ব নেই।”
মুরসিকে উৎখাতের পর থেকে কাতার ও মিশরের মধ্যে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। কাতার মুরসিকে সমর্থন দিয়েছে।
মুরসিসহ ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতাকর্মী বর্তমানে কারাগারে আছেন। তাদের অনেকে বিভিন্ন অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের এক আইনজীবী বলেন, কাতারের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে মুরসির সহযোগীরা তথ্য পাচার করেছেন।
ওদিকে, বিচারের নামে ব্রাদারহুডের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ মানবাধিকার সংগঠনগুলোর।
ব্রাদারহুডের নেতা আমিন আল-স্রাফি যিনি মুরসির আমলে মন্ত্রী ছিলেন, তিনি বলেন, “আমাদেরকে জোর করে ধরে এনে অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা যেসব অপরাধ করিনি সেগুলোও আমাদের দিয়ে জোর করে স্বীকার করিয়ে নেয়া হচ্ছে।”
ওদিকে, সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসির অভিযোগ, উৎখাত হওয়া সত্ত্বেও ব্রাদারহুড এখনো মিশরের নিরাপত্তায় হুমকি।

You Might Also Like