আশার আলো দেখছেন উদারপন্থীরা

দেশী-বিদেশী বিভিন্ন মহলের নানা উদ্যোগে ক্ষমতাসীনদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সরকারের উদারপন্থী বলে পরিচিতরা মনে করছেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। এ আলোচনা প্রকাশ্যে অথবা অপ্রকাশ্যে যে কোনোভাবে হতে পারে। বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এ অংশটি। পাশাপাশি তারা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রকৃত অবস্থান জানার চেষ্টা করছেন।

তবে সরকারের কট্টরপন্থীরা এখনও পর্যন্ত বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। তারা রয়েছেন আগের অবস্থানেই। এ অংশটি মনে করছে, যারা পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে, সেই বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ বা সমঝোতা হতে পারে না। এতে ভবিষ্যতের জন্য খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে। তাদের দাবি, কঠোর অবস্থানে থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খুব শিগগির দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিদেশী কূটনীতিকদের দৌড়ঝাঁপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বলে জানান। তিনি বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টিকে আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখছি এবং অবশ্যই ইতিবাচক। এই কূটনীতিকদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে জানিয়ে কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, তারা (বিদেশীরা) চান এদেশে যাতে জঙ্গির উত্থান না হয়। এ ব্যাপারে কূটনীতিকরা চিন্তিত।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার বলেন, এই মুহূর্তে সরকার ও দলে (আওয়ামী লীগ) সংলাপের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তাহলে চলমান রাজনৈতিক অবস্থার সমাধান কি? জানতে চাইলে সরকারের এই প্রভাবশালী নেতা বলেন, দেশে ঝড় আসে, ঝঞ্ঝা আসে, অন্ধকার আসে আবার চলেও যায়। দেখবেন এই অন্ধকারের মধ্যেও আলোর ঝলকানি হয়তো কোনো সময় দেখা যাবে।

তবে বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ সারা দেশে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যা ও নাশকতার অপরাধে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের বিপক্ষে তার সোচ্চার ভূমিকা অব্যাহত রেখেছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের কিছু হতাশাগ্রস্ত বুদ্ধিজীবী সন্ত্রাসী ও নাশকতাকারীদের সঙ্গে সংলাপ-আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সংলাপ হয় তাদের সঙ্গে, যারা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বুধবার দেখা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াডান। একই দিন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডব্লিউ গিবসন। ঢাকার কূটনৈতিক সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকদের সম্মতিক্রমে ইইউ রাষ্ট্রদূত ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার দুই নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তাদের এ চেষ্টা। সরকারের উদারপন্থী বলে পরিচিত মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইইউ রাষ্ট্রদূত সন্ত্রাসের নিন্দার পাশাপাশি সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সব পক্ষ যেন তাদের কর্মের পরিণতি সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে ভাবেন- সে ব্যাপারে অনুরোধ জানান। সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তৃতায় এ অনুরোধ করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। জানা গেছে, সরকারের উদারপন্থী নীতিনির্ধারকরা এই দুই বিদেশী কূটনীতিকের দৌড়ঝাঁপ সম্পর্কে আগে থেকেই অবহিত। তারা বিদেশী কূটনীতিকদের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসনের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছেন।

সরকার ও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র যুগান্তরকে জানিয়েছে, দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বর্তমান সংকটজনক অবস্থা সৃষ্টির আগে থেকেই বিএনপির সঙ্গে সহনীয় আচরণ করার পক্ষে মত দেন। বিএনপির গাজীপুরের সমাবেশ ও ৫ জানুয়ারির কর্মসূচিকে ঘিরে সরকারের কঠোর অবস্থানে অসন্তুষ্ট হয়েই সৈয়দ আশরাফ লন্ডন চলে যান। ফেরেন ৫ জানুয়ারির পর। সরকারের কিছু সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। এই মুহূর্তে দল ও জোটের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন তিনি। এমনকি সর্বশেষ সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও অনুপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আশরাফ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে একেবারেই নীরব রয়েছেন। তিনিও কিছুটা অসন্তুষ্ট বলে সরকার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি জানিয়েছে। ওই সূত্রগুলো দাবি করছে, উদ্ভূত সমস্যা নিরসনে দৌড়ঝাঁপকারী বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে ড. গওহর রিজভীর সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।

দেশী-বিদেশী উদ্যোগ ইতিবাচক : বিএনপি

হাবিবুর রহমান খান : চলমান আন্দোলনে সফলতার ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উঠছে বিএনপি। বিশেষ করে চলমান সংকট নিরসনে বিদেশী কূটনীতিক, নাগরিক সমাজের ব্যানারে দেশের বিশিষ্টজনরা, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন ও একাধিক রাজনৈতিক দলের নানা তৎপরতা তাদের আশাবাদী করে তুলছে। সংলাপে বসাতে দেশী-বিদেশী এসব উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তারা। বিএনপিও চাচ্ছে, তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতায় সমঝোতা হোক। সেক্ষেত্রে তারা কূটনৈতিকদের উদ্যোগকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্দোলন জোরদারের পাশাপাশি সরকারের ওপর দেশী-বিদেশী চাপ অব্যাহত রাখা সম্ভব হলে সরকার দ্রুত সংলাপে বসতে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।

সূত্র জানায়, এক মাসের বেশি টানা আন্দোলনের পর বিএনপি এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে সেখান থেকে পিছু হটার কোনো উপায় নেই। টানা আন্দোলন করার পর রেজাল্ট ছাড়া কর্মসূচি স্থগিত করা হবে না। তারা চাচ্ছেন, সংলাপের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান। দলের হাইকমান্ডসহ তৃণমূল নেতাকর্মীরাও তাই চাচ্ছেন। সবশেষ পশ্চিমা বার্তা সংস্থা এএফপিকে ফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ঐকমত্যের ভিত্তিতে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া বর্তমান সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। তার এমন ঘোষণায় নেতাকর্মীদের মাঝেও চাঙ্গাভাব সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানায়, সংলাপের মাধ্যমেই বর্তমান সংকট উত্তরণে জোর দিচ্ছে বিএনপি। সবশেষ বুধবার ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন সাক্ষাৎ করতে গেলে খালেদা জিয়া তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। সংলাপে কতটুকু ছাড় দেবেন তাও গিবসনকে জানিয়ে দেয়া হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন চাচ্ছেন, তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতায় সংলাপ। যাতে সরকার সংলাপে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর করতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি বিদেশী কূটনৈতিকদের তৎপরতায় তারা অনেকটা আÍবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। সবশেষ বুধবার জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়। শিগগিরই সংকটের একটা সুরাহা হবে বলে মনে করছেন তারা।

সূত্র জানায়, সংকট নিরসনে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কূটনৈতিক এবং নাগরিক সমাজের যে কারও মধ্যস্থতাকে সমর্থন জানাবে বিএনপি। তবে এক্ষেত্রে কূটনৈতিকদের মধ্যস্থতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। তাদের মতে, সরকার এখন দেশের কারও কথাই শুনবে না। ফলে দেশের কেউ সমঝোতার উদ্যোগ নিলে সফলতা নাও আসতে পারে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তায় সেটা সফল হতে পারে। বিএনপির লক্ষ্য আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো সরকারের ওপর এমন চাপ তৈরি করবে যাতে সরকার যত দ্রুত সম্ভব বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় বাধ্য হয়।

দেশের চলমান সংকট নিরসনে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা পাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সিনিয়র দুই নেতা আন্দোলনের আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘকে উদ্ভূত পরিস্থিতি অবহিত করছেন। বাংলাদেশেও বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা বিভিন্ন কূটনৈতিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যে কোনো সংকট উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে আলোচনা। আলোচনা ব্যর্থ হলে পরবর্তী পদক্ষেপও হবে আলোচনাই। তিনি জানান, অচলাবস্থা নিরসনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংলাপ আয়োজনে জাতিসংঘের যে কোনো উদ্যোগকে স্বাগত জানাবেন তারা। জানা গেছে, ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক মহলের তৎপরতা ছিল সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর। এ লক্ষ্যে তারা সমঝোতার চেষ্টা চালায়। বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনৈতিকদের পাশাপাশি জাতিসংঘের বিশেষ দূত পর্যন্ত চেষ্টা করেন। সমঝোতার উদ্যোগ নেয়ার পর কয়েক দফা দুই দলের মধ্যে আলোচনাও হয়। আওয়ামী লীগ নির্বাচন করে সরকার গঠন করে। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হলে ক্ষমতাসীনরা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন নয়। পরে জাতিসংঘের বিশেষ দূতের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো বিএনপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে জানানো হলেও ক্ষমতাসীনরা তা অস্বীকার করে। তাই এবার কূটনৈতিকদের মধ্যস্থতায় সংলাপ হলে সমঝোতাগুলো লিখিত আকারে রাখতে চায় বিএনপি। যাতে সংলাপের পর আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে না পারে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, দুটি দলই অনড় অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতা ছাড়া সমঝোতা সম্ভব নয়। নাগরিক সমাজসহ যারাই সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছেন আমাদের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘসহ প্রভাবশালী দেশগুলোর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং সংকট নিরসনে কূটনৈতিকদের দৌড়-ঝাঁপ সম্পর্কে মাহবুব বলেন, জাতিসংঘসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো চায় বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিবেশ ও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকুক। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সহযোগিতার মনোভাব দেখাচ্ছেন। সংলাপের মাধ্যমে সংকট নিরসনের আহ্বান জানাচ্ছেন। যে কারও মধ্যস্থতায় বর্তমান সংকটের সমাধান হোক এটা সবাই চান।

বিদেশী কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের ব্যানারে বিশিষ্টজনদের নেয়া উদ্যোগ ছাড়াও চলমান সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপে বসতে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে চিঠি দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। প্রয়োজনে এ ইস্যুতে দুই শীর্ষ নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি। সংলাপ-সমঝোতার দাবি জানিয়ে গণঅনশনসহ রাজধানীতে দুটি পৃথক শান্তি সমাবেশও করেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। একই দাবিতে আগামীকাল কুড়িল বিশ্ব রোডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত গণঅনশন করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশের আরেক সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। এদিকে একই দাবিতে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি কাদের সিদ্দিকী প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে মতিঝিলে অবস্থান ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন।

You Might Also Like