আইনের ধাপ অনুসারে গুলি করা হয়, বিজিবি প্রধান

জানমালের হুমকি দেখা দিলে আইনের ধাপ অনুসারে গুলি করা হয়। মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নই ওঠে না বলে মন্তব্য করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।

বিজিবি মহাপরিচালক রবিবার সকালে রংপুর রিজিয়নের নবনির্মিত অফিসার্স কোয়ার্টার, রিজিয়ন কমান্ডার বাংলো, জেসিও মেস, এসএম ব্যারাক, সৈনিক পরিবারের বাসস্থান ও অফিস বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন কালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলমান অবরোধ ও হরতালে প্রায় দেড় লক্ষাধিক যানবাহন হাইওয়ে দিয়ে পারাপারে সহায়তা দিয়েছে বিজিবি। শুধুমাত্র শনিবার রাতেই প্রায় ৪৮ হাজার যানবাহন পারাপারে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার সৈনিক আক্রান্ত হলেই কেবল তারা অস্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। জনগণের জানমালের অধিকার রক্ষা আমাদের কাজ।’

সংবাদকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্তের হত্যা শূন্যের কোটায় আনতে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে হত্যাকান্ড অনেক কমে এসেছে। বাংলাদেশীরা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করলে সীমান্ত হত্যা কমে যাবে।

মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, দেশ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বেসামরিক বাহিনীকে সহায়তা করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ডার গার্ড (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবিকে সাংবিধানিকভাবে পাঁচটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- সীমান্তপ্রহরী হিসেবে দেশকে রক্ষা করা, য্দ্ধুকালীন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তা করা, নারী ও শিশু পাচার রোধে কাজ করা, বেসামরিক প্রশাসনকে জরুরী প্রয়োজনে সহায়তা প্রদান এবং সরকার কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন।

You Might Also Like