‘জননেতা’ লতিফ সিদ্দিকী ও জগলুল আহমেদ

ষাটের দশকে এক দুর্ঘটনায় ভারতের রেলমন্ত্রী শ্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী পদত্যাগ করেছিলেন। তার বন্ধু-বান্ধবেরা যখন তাকে পদত্যাগ না করতে বলতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আপনি তো আর রেল চালাচ্ছিলেন না? চালকের বা অন্য কারো ভুলে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আপনি পদত্যাগ করবেন কেন?’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমি রেল চালাই না সত্য, যারা চালায় মন্ত্রী হিসেবে তাদের চালানোর দায়িত্ব আমার। আমি ভালোভাবে তাদের চালাতে পারছি না বলেই এই দুর্ঘটনা। তাই যেহেতু দুর্ঘটনা হয়েছে, রেলমন্ত্রী হিসেবে আমার স্বপদে থাকার অধিকার নেই।’ কিন্তু কী আশ্চর্য! ২৯ নভেম্বর একটা বাস থেকে নামতে নামতেই আরেকটি বাস এসে চাপা দিয়ে প্রখ্যাত প্রবীণ সাংবাদিক পররাষ্ট্র বিষয় সম্পর্কের বিশ্লেষক জগলুল আহমেদকে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে আমাদের মন্ত্রী বিচলিত কি না জানি না। জগলুল আহমেদ তোমার সময়ই এক গুরুত্বপূর্ণ তরুণ সাংবাদিক হিসেবে স্থান করে নিয়েছিলেন। তুমি তাকে বেশ ভালো করে চিনতে। তোমার মৃত্যুর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দিল্লির পান্ডারা রোডে থাকতেন, তখন তিনি অনেকবার নেত্রীর সাথে দেখা করেছেন, কথা বলেছেন, আমার সাথে কত জায়গায় ঘুরেছেনÑ তার কোনো হিসাব নেই। সদালাপি জগলুল আহমেদকে স্বাধীনতার আগেই চিনতাম। স্বাধীনতার পর তো অনেক দেখা সাাৎ কথা হয়েছে, কিন্তু প্রবাসে তিনি আমার বড় বেশি আপন হয়ে গিয়েছিলেন। দিল্লিতে প্রবীণ সাংবাদিক এল কে খতিব আর তিনি ছিলেন আমার নিত্যদিনের বান্ধব। ইদানীং কত জায়গায় কতভাবে দেখা হতো, সব সময় তিনি আমার জন্য উদ্বিগ্ন থাকতেন। ২৯ তারিখ কালিহাতীতে উত্তমের বিয়ের বউভাত খেয়ে সখীপুর হয়ে সাড়ে ৭টা পৌনে ৮টায় ঢাকা পৌঁছি। ৮টা সাড়ে ৮টায় টিভির পর্দায় জগলুল আহমেদের দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর দেখে বুকের ভেতর আচমকা নাড়া দিয়ে ওঠে। আপনজন চলে গেলে বড় কষ্ট হয়। আপনের মধ্যেও কিছু মানুষ থাকে, যার বিদায়ে হৃদয় ত-বিত যন্ত্রণাকাতর হয়। জগলুল আহমেদও ছিলেন তেমনই একজন। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।  সৈয়দ আশরাফ এখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। মানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেবের বড় ছেলে সৈয়দ আশরাফ। তিনি সে দিন খুলনা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের দণি ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে দুই আনার মন্ত্রী বলে তিরস্কার করেছেন। দেখ, অতিথি তিনি ছোট বড় যাই হোন, তার সম্মান সবার ওপরেÑ এটা আমাদের বাঙালির সভ্যতা। বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গালি দিতে গিয়ে বিদেশী অতিথিকেও নির্দয়ভাবে এমন গালাগাল আমাদের কৃষ্টি, সভ্যতা অনুমোদন করে না। কিন্তু মতার গরমে যার যা খুশি বলে চলেছেন, ফেরানোর কেউ নেই। এভাবে আমাদের সভ্যতা বিসর্জন দিলে ভবিষ্যতে দাঁড়াবো কোথায়? মানলাম, নিশা দেশাই দণি ও মধ্য এশিয়ার সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী, খুবই ছোট পদ। কিন্তু তুমি কি জানো, রাস্তা-ঘাটে আলোচনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কোনো কোনো পিয়নের মর্যাদাও নাকি কোনো কোনো মাননীয় মন্ত্রীকে হার মানায়। আমেরিকান একজন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার পজিশন, তার মতা, এ নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর দরকার কী? কুয়োর ব্যাঙের জাহাজের খবরের প্রয়োজন কী? একসময়ে তোমার খুবই প্রিয়, তরুণ তুির্ক লতিফ সিদ্দিকী সর্বশেষ জেলে গিয়েছিলেন ’৬৭-র সেপ্টেম্বরে। ’৫৮ সালে আইয়ুব খান মতায় এসে তোমার সমর্থক কত নেতাকর্মীকে যে জেলে পুরেছিলেন তার সীমা-পরিসীমা নেই। শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, ওবায়দুর রহমান, শেখ ফজলুল হক মনি, যুবনেতা, ছাত্রনেতা বলতে যাদের বোঝায় প্রায় সবাই জেলে। সে যাত্রায় তোমার প্রিয় লতিফ সিদ্দিকী তোমার পরে ময়মনসিংহ জেল থেকে বেরিয়ে ছিলেন। তার আগে আমরাও বেশ কয়েকজন ময়মনসিংহ জেলের শ্বশুরবাড়ি ছিলাম। সেখানে আনোয়ার বক্স, শামিম আল মামুন, খন্দকার আব্দুল বাতেন ও আমি ছিলাম। তুমি জেল থেকে বেরিয়েই বঙ্গবন্ধু হলে, তার মাত্র দু’বছরের মধ্যে হলে জাতির জনক, দেশের পিতা। কত রক্ত দিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম, সৌভাগ্য আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন দিতে পারিনি, কিন্তু রক্ত দিয়েছিলাম। আরো কিছু বছর আগেই যদি চলে যেতাম, তাহলে স্বাধীনতাযুদ্ধে ছোটখাটো যাই করে থাকি মনে একটা শান্তি, তৃপ্তি ও গর্ব নিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু এখন মতাবানদের, সমাজপতিদের এবং কোনো কোনো েেত্র সমাজের আয়না কলম যোদ্ধাদের বিবেকহীনতা দেখে বড় খারাপ লাগে। পাকিস্তান আমলে আমরা হতাম রাজবন্দী, এখন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, গরু-ছাগল, চোর, সন্ত্রাসী কোনো বাছ-বিচার নেই। তোমার একসময়ের প্রিয় শিষ্য লতিফ সিদ্দিকী গত ২৮ সেপ্টেম্বর তোমার কন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিনে ওয়াশিংটনে কোনো এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ৭০-৭২ মিনিটের লম্বা তাত্ত্বিক বক্তৃতা করেছেন। তাতে আল্লাহ-রাসূল, হজ, জাকাত কোনো বিষয় বাদ রাখেননি। সে দিন একজনের লেখা পড়ে এক পাঠক বলছিলেন, ‘জনাব লতিফ সিদ্দিকী এমন একজন প্রবীণ মানুষ, তাকে শুধু লতিফ বলা হচ্ছে, লতিফ সিদ্দিকী বললেও তো পারত। একটু সম্মান দেখানো দরকার তা-ও যেন সবাই ভুলে গেছে।’ নামটা খেয়াল রাখতে পারিনি। পাশে একটা ছোট্ট বাচ্চা, ইন্টারমিডিয়েট পাস করেছে বলে মনে হয়, বলে বসেছিল, ‘একসময়ের মন্ত্রী, প্রবীণ নেতা, তাকে শুধু লতিফ বললে যদি আপনার কষ্ট হয়, জনাব লতিফ সিদ্দিকী যে আব্দুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ বলল তাতে আমাদের কষ্ট হলো না? রাসূলুল্লাহ তো সত্যিই আব্দুল্লাহর পুত্র। আব্দুল্লাহ বলায় কিছু যায় আসে না, কিন্তু মুহাম্মদের আগে তিনি হজরত লাগাতে পারতেন, মুহাম্মদ সা: বলতে পারতেনÑ তাতে তার কী তি হতো? বাদ বাকি হজ ছাড়া অন্য প্রসঙ্গ, সে নিয়ে ক’জনের মাথাব্যথা?’ আমি তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম। ছোট্ট একটা বাচ্চা ছেলে তার কী ক্ষুরধার বিবেচনা!  ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘেরাও বা সভার এক-দেড় মাস আগে মুসল্লিরা ঢাকায় এসেছিলেন, তাদের দেখতে আমিও মিরপুর-গাবতলী গিয়েছিলাম। তারা সে যে কী সম্মান দেখিয়েছেনÑ তা বলার মতো নয়। আমি বড় বড় কয়েক বোতল পানি নিয়ে গিয়েছিলাম, টেকনিক্যালের মোড়ে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যাওয়ার সময় হাজার হাজার বীর জনতা ছুটে এসে হাত মিলিয়েছে, কেউ পানির বোতল এগিয়ে দিয়েছে। ঘণ্টাখানিক পর যখন ফিরছিলাম, কতজন বিস্কুটের প্যাকেট, পাউরুটি, কলা এনে কত পীড়াপীড়ি করেছে। তাদের যতই বলেছি, এই এক-দেড় কিলোমিটার দূরেই আমার বাড়ি। ২-৪-৫০-১০০ জন গেলে আমিই বরং তাদের খাওয়াতে পারি। তারপরও পানির বোতলের মুখ খুলে ‘এক ঢোক খেয়ে যান, একটা বিস্কুট মুখে দিন’। সেখানে শুধু মুসলমানের জন্য, মুসলমানের নয়, মানুষের জন্য মানুষের দরদ ল করেছি। মনে হয় বিকেলের দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতারা ১৩ দফা দাবি পেশ করেন। ১৩ দফা জোগাড় করে পড়ে দেখলাম, তারা নিজেরা সরকার গঠন করেও তাদের ১৩ দফা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। ১৩ দফার অনেক দফাই সমর্থনযোগ্য নয়। আমি গিয়েছিলাম, আল্লাহ-রাসূলের অবমাননার বিরুদ্ধে যারা রাস্তায় নেমেছে তাদের সাথে সহমর্মিতা জানাতে। সবার আগে আমি মানুষ। আমি অসম্প্রদায়িক জীবনব্যবস্থায় তিলে তিলে বেড়ে উঠেছি। আমি আমার ধর্মের েেত্র নিরপে নই, সম্পূর্ণ অনুগত। আমার ধর্মের প্রশ্নে একটা দাড়ি, কমার সাথেও আপস নেই। কিন্তু আমার ধর্ম নিয়ে কারো ধর্মকে প্রভাবিত করতে চাই না। আমার ধর্মের অনুশাসন মেনে আমি অন্যের ধর্মের পাহারাদার হতে চাই। ইসলাম কখনো অন্যকে বঞ্চিত করে না, অন্যের মান-সম্মান, জীবন-সম্পদ কেড়ে নেয় না, অন্যের ধর্মে বাধা সৃষ্টি করে না। আমিও সেটাই মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গির্জায় গিয়ে বাইবেল নিয়ে শপথ করে যদি ধর্মনিরপে হয়, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, মনমোহন সিং, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামাদোর দাস মোদি- তারা যদি নিরপে হয়, আমি খাঁটি মুসলমান হয়ে কেন তা হবো না। জানি না, কেন শাপলা চত্বরে গুলি চালিয়ে আধুনিক বিশ্বে নতুন কারবালার সৃষ্টি করা হয়েছে। এ-ও জানি না যারা সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের সাথে সরকারের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না? এখন যে যোগাযোগ আছে তা তো দিবালোকের মতো স্পষ্ট। তবে তুমি তো জানই, আমি অন্ধকারে কোনো আঁতাত করতে শিখিনি। তোমার প্রিয় লতিফ সিদ্দিকী ২৮ সেপ্টেম্বর তোমার কন্যার জন্মদিনে ছোট্ট একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আল্লাহ-রাসূল, হজ এবং জয়কে নিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন। দেশের ৭০-৮০ ভাগ মানুষ মনে করে আল্লাহ-রাসূল এবং একে ওকে নিয়ে আরো অনেক বললেও জনাব লতিফ সিদ্দিকীর কিছু হতো না, যদি জয় সম্পর্কে কিছু না বলতেন। হতেও পারে! পণ্ডিতেরা যা জানে আমরা তো আর তা জানি না। আমাদের দৃষ্টি তিন-চার শ’ গজ, পণ্ডিতদের হয়তো হাজার মাইল। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জার্মানের অনিল দাসগুপ্ত সেখানে ছিল। ভারতে নির্বাসনে থাকতে অনিল দাসগুপ্তকে বহুবার দেখেছি। আমার বর্ধমানের বাড়িতে কতবার এসেছে বলে শেষ করা যাবে না। জন্ম তার বরিশালে। জার্মানিতে কী করে তা ভালো করে জানি না। কিন্তু খুবই নিবেদিত। আমাকে পিতার মতো শ্রদ্ধা করে। অনিল দাসগুপ্তের বোন এবং বোন জামাইর দমদমের সিআইটি রোডের বাড়িতে ষষ্ঠাঙ্গের প্রণাম আমায় অভিভূত করেছিল। ওর আগে ওইভাবে সটান শুয়ে প্রণাম করতে দেখিনি। সেই অনিল দাসগুপ্ত সেখানে ছিল, জয় ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর বক্তৃতা ইউটিউবে দেখেছি এবং শুনেছি। তাই তার ছোট্ট বক্তৃতার পুরোটাই তুলে দিচ্ছি, যাতে তুমি নিজেই বিচার-বিবেচনা করতে পারবে। “শুভ রাত্রি, মধ্যমণি, সবার যিনি মধ্যে বসেন, প্রাণের মধ্যে যিনি বাস করেন, আজকের সভার মধ্যমণি। আপনাদের এক বক্তা বলেছেন, মাতা, নেতা, ভগ্নি, প্রধানমন্ত্রী। আমার ভগ্নি, নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসের ভাই-বোনেরা, মাননীয় মন্ত্রীবর্গ, চৌদ্দ দলের নেতৃবর্গ, প্রবাসী ভাই-বোনেরা। এই অনুষ্ঠান আর কিছুণ চালাতে পারলেই আমরা আমাদের নেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা একসাথে জানাতে পারতাম। আমাদের বাঙালির প্রথম মুক্তিযুদ্ধের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের নেতা তার কন্যা শেখ হাসিনা, আমাদের তৃতীয় মুক্তিযুদ্ধের নেতা হবেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। কৃষ্ণপক্ষের রাত কেটে গেছে, পূর্ণিমার চাঁদ উদ্ভাসিত হয়েছে। তাই অনিল দাসগুপ্ত, আমার বন্ধু, আমার ছোট ভাই, তার ভাষায় আমি শুধু এইটুকু বলতে চাই, শেখ হাসিনা ছাড়া বুঝি না, বুঝব না, বুঝতে চাই না। আর ভবিষ্যতের জন্য জয় ছাড়া বুঝি না, বুঝতে চাই না, মানবো না, জয়কে ভালোবাসতে চাই। পিতা, তোমাকে প্রণতি। জয় বাংলা। ” অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না, পরম করুণাময় আল্লাহ ফকিরকে বাদশাহ, বাদশাহকে ফকির বানান। ২৭ তারিখ শেষ প্রহরে জনাব লতিফ সিদ্দিকী ছিলেন নন্দিত। ওয়াশিংটনের মতো জায়গায় হল ভর্তি মানুষ তার কথায় করতালি দিয়ে ফাটিয়ে ফেলেছে। তাই এটা মানতেই হবে, লাঠিসোটা, কামান-বন্দুকের চাইতে কথা অনেক বড় অস্ত্র। তোমার চাইতে গায়ের জোরওয়ালা লোক কি মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল না? হাজার হাজার লাখো লাখো ছিল। আমাদের বাজারেই মনু মারোয়া আড়াই মণের চিনির বস্তা বয়ে নিত। তুমি, আমি এক-দেড় মণ মাথায় নিতে পারবো না। কিন্তু তোমার কথায় কোটি মানুষ জীবন দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তাই কথাই কর্তৃত্ব করে, কথাই নেতৃত্ব করে। বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীর ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম

 

You Might Also Like