৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কুত্তা মার্কা নির্বাচন বলা যায়: ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ‘কুত্তা মার্কা’ নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ওই নির্বাচনে ভোটার ছিল না, কুকুর-বিড়াল ছিল। এ কারণে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।

আজ রোববার নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা টাউন হলে জেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধের পর দেশে এখন সবচেয়ে সংকটময় অবস্থা চলছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন জাতি মেনে নেয়নি, ভোটারবিহীন ওই নির্বাচনে ঢাকার কেন্দ্রগুলোতে কুকুর-বিড়াল শুয়েছিল। এ কারণে সেটাকে কুত্তা মার্কা নির্বাচন বলা যায়।

ফখরুল বলেন, এই আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ যারা ১১ মিনিটে সংসদে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা বলা যাবে না। এ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করে বলেন, যখন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শেখ মুজিবুর রহমান ধরা দেন, তখন জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ হচ্ছে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসকারীদের দল। রাষ্ট্রীয় কোষাগার, ব্যাংক লুটেরাদের দল, শেয়ারবাজার লুটেরাদের দল।

আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী দলের লোকেরা কী করেনি—এমন প্রশ্ন তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তাঁরা প্রশাসনকে ব্যবহার করছে, আওয়ামী লীগ করলে চাকরি থাকে, নয়তো নয়। তাঁরা বিচার বিভাগও ধ্বংস করেছে। তাঁরা মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন, যেমনটি করা হয়েছিলেন শেখ মুজিবের বাকশাল আমলে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল গফুর সরকার। তিনি জেলজুলুম খাটলে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমমর্মিতা পান না বলে অভিযোগ করেন।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব ওরফে দুলু, সাবেক সাংসদ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, আখতারুজ্জামান মিয়া, আমজাদ হোসেন সরকার প্রমুখ।

সম্মেলনে আবদুল গফুর সরকারকে সভাপতি, মো. আমজাদ হোসেন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক ও জহিরুল হককে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

You Might Also Like