মহিষের কাণ্ড…

মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগন গ্রামের কাঠিকাঠা মাঠে পাগলা মহিষের আক্রমণে পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজন আহত হয়েছেন। পরে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মহিষটিকে গুলি করে ক্ষান্ত করে পুলিশ।

 

আহতরা হচ্ছেন- সদর থানার কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার (৩৫), রাজনগর গ্রামের কৃষক ইনতাজ আলী (৩০) ও  মহিষের মালিক গাংনী উপজেলার থানাপাড়ার সুজন মিয়ার পিতা আব্দুর রহিম (৪০)। আহতদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাংনীর থানাপাড়ার সুজন মিয়ার হাল চাষের মহিষটি বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ পাগলা আচরণ শুরু করে। বাড়ির লোকজনকে আক্রমণ করে মাঠের দিকে ছুটে যায়। গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে মহিষটি আটকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। মহিষটিকে মালিকের বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের মাঠে দেখা যায়। মহিষটি ওই মাঠের ফসল নষ্ট ও কৃষকের উপর আক্রমণ করে। খবর পেয়ে হিজুলী, আমঝুপি, রাজনগর ও রঘুনাথপুর গ্রামের লোকজন মহিষটিকে ধরার চেষ্টা করে। গ্রামবাসী ব্যর্থ হলে খবর দেওয়া হয় সদর থানায়।

 

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আতিয়ার রহমান জানান, মহিষের আক্রমণে দুইজন আহত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। মহিষকে গুলি করতে গিয়ে কনস্টেবল সাত্তার আহত হন। সন্ধ্যার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষটিকে গুলি করে আহত করে ধরে জবাই করে। মহিষটির মাথা মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে। বাকি মাংস মালিককে দেওয়া হয়েছে।

 

মেহেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শশাঙ্ক কুমার মণ্ডল জানান, মহিষের ব্রেন কোনো কারণে কাজ না করলে পাগলের মত আচরণ শুরু করে। ব্রেনের সমস্যরা কারণে এ ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে।

You Might Also Like