নিষিদ্ধ ক্রিকেটারদের প্রতি সদয় হচ্ছে আইসিসি

স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন কারণে নিষিদ্ধ হওয়া ক্রিকেটারের প্রতি সদয় হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী মাসে দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আইসিসির সভায় খেলোয়াড়দের আচরণ বিধি সংক্রান্ত কিছু ধারায় সংশোধনী আনা হতে পারে। সংশোধনীর ফলে পেসার মোহাম্মদ আমিরসহ নিষিদ্ধ তিন পাকিস্তানি ক্রিকেটার কিছুটা সুবিধা পাবেন।

গতকাল সোমবার আইসিসির এক বিবৃতিতে এ জানানো হয়েছে।

সংশোধিত আচরণ বিধি অনুযায়ী, নিষিদ্ধ খেলোয়াড়েরা নির্দিষ্ট সময় পর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবেন। এজন্য তাদের আইসিসির কাছে আবেদন করতে হবে। তারপর আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী কমিশন ও সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুপারিশ সাপেক্ষে ওই খেলোয়াড়কে ঘরোয়া ম্যাচ খেলার অনুমতি দেওয়া হবে।

সংশোধনীটি পাস হলে সবচেয়ে উপকৃত হবেন আমির। স্পট ফিস্কিংয়ের কারণে পাঁচ বছর সবধরণের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হন পাকিস্তানি এ পেসার। আগামী আগস্টে শেষ হচ্ছে তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ।

গত বছর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আমিরের শাস্তি শীতিল করার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করে। পিসিবির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি খেলোয়াড়দের আচরবিধি মূল্যায়নে একটি কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের কারণেই এতে সংশোধনী আসতে যাচ্ছে।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেন, ‘সংশোধিত আচরণাবিধি এরইমধ্যে কয়েকটি সভায় আলোচিত হয়েছে। আগামী নভেম্বরের সভায় সংশোধনীটি অনুমোদিত হবে বলে আশা করছি।’

২০১০ সালে ২৯ আগস্ট লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিংয়ে দোষি সাব্যস্ত হন পাকিস্তানি অধিনায়ক সালমান বাট, পেসার মোহাম্মদ আমির ও আসিফ। বাজিকরের কাছ থেকে টাকা খেয়ে আমির ও আসিফকে টেস্টের নির্দিষ্ট ওভারে নো বল করতে বলেন বাট। বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বাটকে ১০ বছর, আসিফকে সাত ও আমিরকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আইসিসি।

এছাড়া ২০১১ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন আদালত বাটকে আড়াই বছর, আসিফকে এক বছর ও আমিরকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। কারাগারে সদাচরণের জন্য অর্ধেক দণ্ড ভোগের পর জেল থেকে মুক্তি পান তারা। সূত্র : দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও দ্য ডন।

You Might Also Like