ইবোলা ও কিছু মৌলিক প্রশ্ন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা আতংক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমি যে রাজ্যে এখন অবস্থান করছি সেই টেক্সাসের ডালাসের একটি হাসপাতালে প্রথম ধরা পড়ে এ রোগটি। মূলত পশ্চিম আফ্রিকায় এ রোগটির উৎপত্তি। বলা হয় পশু-পাখি, বিশেষ করে বানর থেকে এ রোগটি ছড়ায় এবং রোগটি ছোঁয়াচে। এ ধরনের একটি রোগ যে পুরো জনগোষ্ঠীর জন্য কত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, ডালাসের ঘটনা তার বড় প্রমাণ। প্রতিদিনই টিভিতে এ নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে। টকশোগুলো ইবোলো রোগ নিয়ে এখন সরব। খোদ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করে মন্ত্রী তথা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মিটিং করছেন। করণীয় নির্ধারণ করছেন। কিন্তু ইবোলাকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। আক্রান্ত রোগী টমাস ডানকান মারা গেছেন প্রায় এক সপ্তাহ আগে। তারপর তা ছড়িয়ে পড়ে দুজন নার্সের শরীরে, যারা ডানকানের দেখাশোনায় নিয়োজিত ছিলেন। এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে, ডালাস ও এর আশপাশ এলাকায় বসবাস করেন এমন প্রায় ২০০ ব্যক্তির ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রতিদিনই মানুষ আতংকে থাকে ইবোলা আরও ছড়িয়ে পড়ল কিনা তা জানার জন্য। শুধু তাই নয়, এ ধরনের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিতেও ডালাসের নার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে। তারা নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলেছে।
আরও খারাপ খবর হচ্ছে, স্পেন থেকেও ইবোলা আক্রান্ত একজন নার্সের মৃত্যু সংবাদ এসেছে। ওই নার্সও লাইবেরিয়া থেকে এসেছিলেন। সতর্কতা জারি করা হয়েছে ইউরোপের প্রায় প্রতিটি বড় শহরে।

হাসপাতালগুলো বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। টিভি সংবাদে দেখা যায় কীভাবে সেবিকারা বিশেষ ধরনের পোশাক পরে হাসপাতালে কাজ করছেন। ইবোলা নিয়ন্ত্রণে মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ যখন হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখনই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আগামী দুমাসে ইবোলা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১০ হাজারে। ইতিমধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায়, বিশেষ করে লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিওন, গিনি- এসব দেশে এ রোগে মারা গেছে চার হাজার ব্যক্তি। এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। পুরো তথ্য সেখান থেকে আসছে না। ইবোলা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র লাইবেরিয়ায় সেনা পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে।

খোদ যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ায় অনেক প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর এ বিষয়ে কতটা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে জানি না। তবে বাংলাদেশের মতো জনবহুল একটি দেশ বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এখন। প্রথমত, সাধারণত ধনী দেশগুলোতে এ ধরনের ছোঁয়াচে রোগের জন্ম ও বিস্তার ঘটে কম। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা পশ্চিম আফ্রিকায় প্রথমে আক্রান্ত হন এবং আক্রান্ত হয়ে ইউরোপ বা আমেরিকায় আসেন। প্রথমে ডাক্তাররা তা বুঝতে পারেন না। অথবা রোগীরা তাদের ভ্রমণসংক্রান্ত বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তা অবহিতও করেন না। টমাস ডানকান ও মিস রামোসের (স্পেন) ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে। কম উন্নত দেশে, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা পর্যাপ্ত নয় কিংবা এ ধরনের রোগ নিয়ে গবেষণা কম হয়, প্রতিরোধের কোনো উপায় ও প্রস্তুতিও তেমন থাকে না। সেসব দেশে এসব রোগের বিস্তার ঘটে দ্রুত। বাংলাদেশকে নিয়ে তাই চিন্তার কারণ রয়েছে যথেষ্ট।

দ্বিতীয়ত, সাধারণত পশ্চিম আফ্রিকা থেকে যারা আসেন, তারাই এ রোগের জীবাণু বহন করেন। বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা পশ্চিম আফ্রিকায় ছিলেন বা এখনও আছেন। তারা ফিরে আসছেন। ফলে তারা যে ইবোলার জীবাণু বহন করছেন না, তা নিশ্চিত হয়ে বলা যায় না। উপরন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক বিদেশী কাজ করেন, বসবাস করেন, যারা পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক, অথবা ওই সব দেশ থেকে সরাসরি এসেছেন। ঢাকায় তাদের পরীক্ষা করা হয় না। অবিলম্বে হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমানবন্দরে একটি মনিটরিং সেন্টার স্থাপন করা উচিত। প্রাথমিকভাবে কোনো জ্বর নিয়ে কেউ আসছেন কিনা, তা পরীক্ষা করা জরুরি। লাখ লাখ বাংলাদেশী নাগরিক এখন বিদেশে কাজ করেন। বিদেশে পশ্চিম আফ্রিকার নাগরিকদের সঙ্গেও তাদের কাজ করতে হয়। এর ফলে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন এবং জীবাণুটি বহন করে দেশে আসতে পারেন। সুতরাং প্রাথমিক পরীক্ষাটা জরুরি।
সাধারণত ইবোলা আক্রান্তদের খুব জ্বর হয় (প্রায় ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। তাদের বমি ও সর্দিজ্বর থাকে। ডাক্তাররা এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেন। টমাস ডানকানের ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছিল। তিনি লাইবেরিয়ার নাগরিক। ডালাসে তার বান্ধবী স্থায়ীভাবে বসবাস করত। তিনি বান্ধবীকে বিয়ে করার জন্যই এসেছিলেন। হাসপাতালে তিনি তথ্য গোপন করেছিলেন যে, তিনি তিন দিন আগে লাইবেরিয়া থেকে এসেছিলেন। তথ্য গোপন না করলে হয়তো তিনি বেঁচে যেতে পারতেন। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তাকে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আরও তিন দিন পর তাকে অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।

৮ অক্টোবর তিনি মারা যান। বাংলাদেশে সর্দি-কাশি অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। কোনো প্রবাসীর ক্ষেত্রে এ রকমটি হলে দ্রুত তার উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নেয়া প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, এ ধরনের ছোঁয়াচে রোগ আমাদের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মাঝে ফেলে দিতে পারে। যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদ নিরাপত্তাকে বিঘিœত করে, সন্দেহ নেই। কিন্তু এ ধরনের ছোঁয়াচে রোগও দেশের নিরাপত্তাকে বিঘিœত করতে পারে। হাজার হাজার নাগরিকের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এর আগে আমরা সার্স, এভিয়াস ইনফ্লুয়েঞ্জা, মার্স নামক ছোঁয়াচে রোগের কথা শুনেছি। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত রোগী বাংলাদেশে পাওয়া গেছে এমন খবরও সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছিল। কাজেই আমরা একটা ঝুঁকির মাঝে রয়েছি।
চতুর্থত, সন্ত্রাসীরা এ ধরনের রোগের জীবাণু সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারে এবং হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে কোনো ধরনের যুদ্ধ ছাড়াই। ইসলামী জঙ্গিদের কাছে এ ধরনের জীবাণু অস্ত্র থাকতে পারে এবং তারা প্রয়োগ করে তা ব্যবহারও করতে পারে। বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারে আল কায়দা নতুন করে সংগঠিত হয়েছে। ফলে তারা ভবিষ্যতে এ জীবাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে- এ ধরনের একটি আশংকাকে সামনে রেখে নীতিনির্ধারকদের প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত।

পঞ্চমত, এ ধরনের রোগের কী চিকিৎসা দেয়া উচিত, কী প্রস্তুতি নেয়া উচিত ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের চিকিৎসকদের ধারণা কম। প্রয়োজনে আমরা বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে অথবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করতে পারি। অর্থাৎ ইবোলা সংক্রমিত হওয়ার ব্যাপারে আমাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।
ষষ্ঠত, শুধু বিমানবন্দর নয়, বরং সব সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করাটাও জরুরি। কারণ ভারতে ইবোলা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে বলে সেখানকার সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশীরা সেখানে আছেন বিভিন্ন সূত্র ধরে। যে কোনো বাঙালি তাতে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করা সব ব্যক্তির স্ক্যানিং জরুরি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। একটি অভিবাসনবিরোধী তৎপরতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পত্রপত্রিকায় নানা সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। এর মাঝে দুটি সংবাদ বেশ স্পর্শকাতর।

প্রথমটিতে নাভারো নামের একটি কলেজে, যা ডালাসে অবস্থিত, দুজন নাইজেরীয় ছাত্রের ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই দুই ছাত্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, ইবোলা আক্রান্ত কোনো দেশ থেকে কোনো ছাত্রকে ভর্তি করবে না তারা। দ্বিতীয় সংবাদটি আরও স্পর্শকাতর। মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে ব্যাপকভাবে ইবোলার সংবাদ প্রকাশ করার উদ্দেশ্য একটিই- আফ্রিকা থেকে অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আগমন ও বসবাসের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে এ অভিবাসনের বিষয়টি অনেকটা সহজ এবং হাজার হাজার আফ্রিকার অভিবাসী প্রতিবছরই এখানে স্থায়ী হচ্ছেন, তাই আইন প্রণেতাদের ওপর একটা চাপ ও জনমত সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই হয়তো ইবোলার বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। কট্টরপন্থী কনজারভেটিভরা যে আফ্রিকা ও এশিয়ার অভিবাসীদের বিরুদ্ধে, এর প্রমাণ আমরা একাধিকবার পেয়েছি। আফ্রো-আমেরিকানরা অর্থাৎ যাদের পূর্বপুরুষ আফ্রিকা থেকে এখানে দাস হিসেবে এসেছিলেন (মিসেস ওবামার পরিবারও দাস ছিলেন), তারা প্রায়ই শ্বেতাঙ্গদের টার্গেট হচ্ছেন। কদিন আগে ফার্গুসন শহরে এক কিশোর আফ্রো-আমেরিকান নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করলেও এ প্রবণতা যে থেমে গেছে, তা বলা যাবে না। তাই ইবোলা সংক্রমণের সঙ্গে এ ধরনের কোনো মানসিকতা কাজ করেছে কিনা, তা হুট করে বলা যাবে বা। ৯/১১-এর ঘটনার পর মুসলমানরা যেমন একটা আতংকের মাঝে থাকতেন, এখন ইবোলার ঘটনা আবিষ্কৃত হওয়ার পর আফ্রিকার নাগরিকরা সেরকম আতংকে থাকবেন, এটা বলাই যায়। আগামী দিনগুলোতে নাভারো কলেজের মতো আরও অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আফ্রিকা থেকে আবেদন করা ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করতে অপারগতা জানাবে, এটা নিশ্চিত।
এ ঘটনায় আবারও প্রমাণিত হল, অপ্রচলিত নিরাপত্তা ধারণাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে আমাদের মতো স্বল্পোন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোয় এ অপ্রচলিত নিরাপত্তা ধারণাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়া হয় না। পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, ব্যাপক নগরায়ণ ইত্যাদির পাশাপাশি যোগ হয়েছে ছোঁয়াচে রোগের বিস্তার। কিছু অসাধু ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে এ ধরনের জীবাণু ল্যাবরেটরিতে তৈরি করতে পারে এবং এর দ্বারা হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া সম্ভব। অনেকের স্মরণ থাকার কথা, ৯/১১-এর ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট বুশ জীবাণু অস্ত্রের সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করেছিলেন। যদিও পরে এ ধরনের কোনো আক্রমণ হয়নি।

এখন ডালাসে ইবোলা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর পর মিডিয়ায় নানা স্পেসেকুলেশন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মাঝে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। স্কুলে কোনো শিশুর সামান্য জ্বর হলেই তাকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। আফ্রিকান নাগরিকদের অন্য দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। এগুলো সবই সাম্প্রতিক ঘটনা। তবে এখানে গবেষণা হয়। এরা গবেষণা করে। সে সুযোগ আছে। শীর্ষ পর্যায় থেকে গুরুত্ব দেয়া হয়। ফান্ডও আছে। কিন্তু আমাদের দেশে এ ধরনের রোগ নিয়ে গবেষণা করার সম্ভাবনা কম। আমাদের আর্থিক ভিত্তিও দুর্বল। প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এ ধরনের সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটলে সরকার হঠাৎ করেই সক্রিয় হয়, আবার কার্যক্রমে স্থবিরতা চলে আসে কিছুদিন পর। ইবোলা বিস্তারের হুমকির মুখে সরকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্ক্যানিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এতে খুব দ্রুতই স্থবিরতা এসে যাবে বলে আশংকা। অভিজ্ঞতা তাই বলে। এ ছোঁয়াচে রোগটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া উচিত এবং আইসিডিডিআরবিতে এ রোগ নিয়ে গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানো উচিত। কানাডা বলেছে, তারা ইবোলা চিকিৎসার ওষুধ উদ্ভাবন করেছে। তবে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ইবোলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যেসব উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে, আমরা তা পারব না বটে, তবে বিষয়টিকে হালকাভাবে নেয়াও ঠিক হবে না।

ডালাস, যুক্তরাষ্ট্র
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

You Might Also Like