সুবহানের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ২ নভেম্বর

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করার জন্য ২ নভেম্বর দিন ধার‌্য করেছেন আদালত।

সুবহানের পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার এ আদেশ দেন।

আদালতে সুবহানের পক্ষে এডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও সুলতান মাহমুদ সীমন উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সুবহানের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর হোসেনের জেরা শেষ করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের মোট ৩১ জন সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ শেষ হয়।

বুধবার ১৫ অক্টোবর আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য ওইদিন তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।

সুবহানের পক্ষে দুইজন সাফাই সাক্ষী সাক্ষ্য দিবেন বলে সেদিন ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছিলেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।

এ বছরের ৭ এপ্রিল থেকে আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ শুরু হয়।

গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এর পর ৩১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে ৮৬ পৃষ্ঠার ওই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা দেয় প্রসিকিউশন।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগে জামায়াতের এ নেতার বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধের কথা উল্লেখ রয়েছে।

গত বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে সুবহানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে গত ১২ সেপ্টেম্বর তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন তদন্ত সংস্থা।

তদন্তের স্বার্থে গত ১ সেপ্টেম্বর সেফহোমে নিয়ে সুবহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্ত সংস্থা।

৯টি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৪৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে সুবহানের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সুবহানকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

You Might Also Like