নীরব উপেক্ষা নিয়ে প্রস্থান

৯ অক্টোবর দুপুর ১২টায় আমি যখন শহীদ মিনার চত্বরে পৌঁছলাম, তখন আবদুল মতিনের লাশ সেখানে আনা হয়েছে। শহীদ মিনার চত্বর তখন কানায় কানায় পরিপূর্ণ। আবদুল মতিন যখন অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন, তখন আমার সংগঠন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বাবুসহ কয়েকজন বলেছিল একবার গিয়ে তাঁকে দেখে আসতে। যাই যাই করেও আমার যাওয়া হয়নি। আমার মাঝেমধ্যে এ রকম হয়। বিশেষ করে হাসপাতালে যেতে ভালো লাগে না। শেষের দিকে মতিন ভাইয়ের সঙ্গে আমার বেশ নিয়মিত দেখা হতো। তাঁর স্ত্রী গুলবদন নেসা মনিকা ভাবির সঙ্গে দেখা হতো তাঁর চেয়ে বেশি। ফলে মতিন ভাইকে আরো একটু বেশি করে জানার সুযোগ হয়েছিল। সেই মতিন ভাই চলে গেলেন। তাঁকে দেখতে যেতে না পারার একটা গ্লানি ছিল। এ জন্য তাড়াতাড়ি চলে গিয়েছিলাম শহীদ মিনারে।

You Might Also Like