কাইল্যাবাবু ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত

শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মগবাজারের সোনালীবাগের ট্রিপল মার্ডারের প্রধান আসামি শাহ আলম ওরফে কাইল্যাবাবু ওরফে কালাবাবু ক্রস ফায়ারে নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর চারটায় রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) কৃষ্ণপদ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “মগবাজার ওয়্যারলেস গেটে বন্দুকযুদ্ধে কাইল্যাবাবু নিহত হয়েছেন। এ সময় একটি পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তার দুই সহযোগীও গ্রেফতার হয়েছে।”

পুলিশের ভাষ্য, সোমবার ভোর চারটার দিকে ডিবির একটি টহল দল ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কালা বাবু গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।

গত ২৮ আগস্ট রাতে মগবাজারে খুন হন রানু আক্তার (৩০), বিল্লাল (২৮) ও মুন্না (২৫)। এ ঘটনায় রানুর ভাই হূদয় (২২) গুলিবিদ্ধ হন। রেলওয়ের জমির ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ঘর নিয়ে বিরোধের জের ধরে ওই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরদিন রাতে ১৫ জনকে আসামি করে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত রানুর ভাই শামীম ওরফে কালাচান। মামলার বাদী কালাচান মগবাজার রেলওয়ে ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত গত ২৯ আগস্ট রাত ১২টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগের মান্ডা এলাকার ঢালপাড় মসজিদ গলির একটি বাসা থেকে কাইল্যাবাবুকে পুলিশ আটক করে। ওই বাসাটি কাইল্যা বাবুর ফুফু খুশি বেগমের।

আটকের পর ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন ডিবির উপকমিশনার কৃষ্ণপদ রায়। কাইল্যাবাবুকে আটক করলেও আপনারা এখন প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “না, আটক করলে প্রকাশ না করার সুযোগ নেই।”

নিহত কালাবাবুর লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। ভোরে রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান অজ্ঞাত হিসেবে তার লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

You Might Also Like