খালেদার আপিল শুনানি অব্যাহত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনকারী বিচারক বাসু দেবকে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের রিটে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুই আপিলের শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ চতুর্থ দিনের মতো শুনানি গ্রহণ করে মঙ্গলবার পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন সাবেক এটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী। এছাড়া তার পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা উপস্থিত ছিলেন।

দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ফান্ড মামলায় এ বিচারক খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

গত ৭ জুলাই খালেদার পক্ষে তার আইনজীবী এডভোকেট আসাদুজ্জামান ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এ আপিল দায়ের করেন।

এদিকে, ঢাকা বিশেষ জজ আদালতে বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করলে গত ১৯ জুন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হকের একক বেঞ্চ তৃতীয় বেঞ্চ হিসেবে তা খারিজ করে দিয়ে আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৫ মে খালেদা জিয়ার এ রিট আবেদনের বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ।

জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব বিচারিক আদালতে মামলা দুটির কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন ও পাশাপাশি রুল জারি করেন। রুলে মামলা দুটির অভিযোগ গঠনকারী বিচারক বাসু দেব রায়ের নিয়োগকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়।

অপরদিকে, কনিষ্ঠ বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ খালেদা জিয়ার রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন। দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেয়ায় প্রধান বিচারপতি তৃতীয় বেঞ্চ হিসেবে কাজী রেজা উল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্ধারণ করেন রিট দুটির নিষ্পত্তি করতে।

গত ১২ মে খালেদা জিয়ার পক্ষে এডভোকেট আসাদুজ্জামান এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিট বিবেচনাধীন থাকা পর্যন্ত মামলা দুটির বিচারিক কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশও চাওয়া হয়।

গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ফান্ড মামলায় অভিযোগ গঠন করে ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক বাসুদেব রায়।

You Might Also Like