স্থানান্তর হচ্ছে রো রো ফেরিঘাট

পদ্মার তীব্র স্রোত ও ভাঙনে মাওয়ার বর্তমান রো রো ফেরিঘাট বিলীন হওয়ায় ঘাটটি আগের স্থানেই সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। গত ১৯ আগস্ট ৩ নম্বর রো রো ফেরিঘাটটি ভাঙনের কবলে পড়লে দু’দিন পর বর্তমান জায়গায় স্থাপন করা হয়েছিল। এদিকে সোমবারের নদী ভাঙনে রো রো ফেরিঘাটের তলিয়ে যাওয়া র‌্যামটি উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম।

ফেরিঘাটটি গত সোমবার দুপুরে ভেঙে যাওয়ার পর গতকাল পর্যন্ত চালু করা যায়নি এ নৌপথে যানবাহন পারাপারের প্রধান মাধ্যম তিনটি রো রো ফেরি। কম ধারণক্ষমতার ৯টি ফেরি দিয়ে চলছে যানবাহন পারাপার। ফলে নদীর দুই তীরে আটকা পড়েছে পণ্যবাহী ট্রাকসহ ছয় শতাধিক যান। নদী ভাঙন ও স্রোতের কারণে টানা ১৬ দিন ধরে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।

বিআইডব্লিউটিসি মাওয়া অফিসের ব্যবস্থাপক সিরাজুল হক জানান, আজ বৃহস্পতিবার থেকে ৩ নম্বর রো রো ফেরিঘাটটি আগের ৩ নম্বর ঘাটের একশ’ ফুট পূর্বে স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (আজ) রো রো ফেরি চলাচল আবার শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, উজানের পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত সঙ্কট পুরোপুরি কাটবে না।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, আমানত শাহ ও শাহ আলী নামে তিনটি রো রো ফেরি ছাড়াও টানা জাহাজের (আইটি) অভাব, প্রবল স্রোত ও মেরামত কাজের কারণে আরও চারটি ফেরি বন্ধ রয়েছে। স্রোতের কারণে চলাচল করা ফেরিগুলোর কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়ায় আসতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগছে।

You Might Also Like