ফরিদপুরে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে পদ্মার পানি বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে তা এখন বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে ফরিদপুরের তিনটি উপজেলায় নিম্নাঞ্চলের শতাধিক গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলা, চরভদ্রাসন এবং সদরপুর উপজেলাগুলো বেশি এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, কয়েশ’ একর ফসলি জমি। সমস্যায় পড়েছে দিন মুজুর, খেটে খাওয়া মানুষ, পশু-পাখি। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও পড়েছে দুর্ভোগে।

বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের ৫টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ ঘরবাড়ি বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিগ্রিরচর, চরমাধাবদিয়া, নর্থচ্যানেল, আলীয়াবাদ, চরভদ্রাসনের গাজীরটেক, ঝাউখালী ও সদর এবং সরদপুর উপজেলার চর নাসিরপুর, দিয়ারা নারকেলবাড়ীয়া, টেউখালী, চর মানাইরে শতাধীক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসক সরদার সরাফত আলী জানান, বন্যার কারণে ৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রধামন্ত্রীর নির্দেশে প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।

তিনি যেসব এলাকায় বেশি পানি প্রবেশ করেছে, সে সব এলাকার মানুষকে উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

You Might Also Like