যুদ্ধবিরতির ২য় দিন : মিশরে চলছে আলোচনা

ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা এক মিনিটে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। মিশর সরকারের মধ্যস্থতায় দু পক্ষ নতুন করে ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতে সম্মত হয়। তবে, হামাস বলেছে, গাজার ওপর থেকে সাত বছরের অবরোধ তুল না নিলে তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

যুদ্ধবিরতির পর গাজা শান্ত অবস্থায় আছে এবং রাস্তাঘাটে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসছে। তবে, ইসরাইলি বিমান হামলায় ও ট্যাংকের গোলা বর্ষণে গাজার কোনো কোনো এলাকা বিশেষ করে বেইত লাহিয়া এবং রাফাহ শহর এত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে, সেখানে বলতে গেলে ধ্বংসস্তুপ ছাড়া আর কিছু নেই। লোকজন যারা বসত বাড়িতে ফিরেছে তাদেরকে খোলা আকাশের নীচেই দিন যাপন করতে হচ্ছে। এছাড়া, ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে এখনো উদ্ধার হচ্ছে শহীদ ফিলিস্তিনিদের মৃতদেহ।

এদিকে, ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির মধ্যে কায়রোয় চলছে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা। এতে মধ্যস্থতা করছে মিশর সরকার। কায়রোয় আগে থেকেই ছিল ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদল আর ইসরাইলি প্রতিনিধিদল ফিরেছে দ্বিতীয় দফায়। তবে, এবারের আলোচনাও সফল হবে কিনা তা অনেকটা নির্ভর করছে ইসরাইলের ওপর। আগেরবার স্থায়ী যুদ্ধবিরতি করা যায় নি তেল আবিবের একগুঁয়েমির কারণে। হামাসের যেসব প্রধান দাবি ছিল তার একটিও মানতে চায় নি তারা উপরন্তু হামাসকে নিরস্ত্র করার দাবিতে অনড় ছিল ইসরাইল। হামাস বলেছে, গাজার ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা না হলে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে না। জাতিসংঘও একই ধরনের কথা বলেছে।

You Might Also Like