নেতানিয়াহু ও ‘বৃহত্তর ইসরায়েলের খোয়াব’

গাজায় এই ধ্বংসযজ্ঞ নাৎসি বাহিনীর গণহত্যার কথাই মনে করিয়ে দেয়জুন মাসে পূর্ব ইউরোপ সফরকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি বাহিনীর ইহুদি নিধনের দুটি কনসেনট্রেশন শিবির দেখতে গিয়েছিলাম। একটি জার্মানির ডাকাউ, অন্যটি পোল্যান্ডের ‘অস্িভৎস্’।এমন আরও বেশ কিছু শিবির ছিল, যেখানে পরিকল্পিতভাবে ইহুদিদের গণহত্যা করা হয়েছিল।পরিসংখ্যানমতে, প্রায় ছয় লাখ ইউরোপীয় ইহুদিকে গ্যাস চেম্বারে হত্যা করা হয়েছিল৷ তবে ইসরায়েলের হলোকস্ট মেমোরিয়াল মোতাবেক ছয় মিলিয়ন হত্যা করেছিল হিটলারের বাহিনী। আর গ্যাস চেম্বার ও ফার্নেসগুলো হিটলারের পরাজয়ের প্রাক্কালে ধ্বংস করা হয়েছিল৷ তবে ওই দুটি ধ্বংসস্তূপ এখনো দর্শনীয় জায়গা হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। ‘ডাকাউ’ ছিল প্রথম শিবির আর ‘অস্িভৎস্’ ছিল বৃহত্তম কনসেনট্রেশন ক্যাম্প।

এ জায়গায় দাঁড়িয়ে যে সহমর্মিতা আসার কথা, তা আজকের ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা এবং আগ্রাসী ভূমিকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হিটলারি কায়দায় নির্যাতনের কারণে তা অনেকেই পূর্ণভাবে অনুভব করে না। ইহুদিরা যে বর্বরতার শিকার হয়েছে, তেমনটা আর কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর ওপর হোক তেমনটা তারা চাইবে না, এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ঘটেছে ঠিক বিপরীত।
যখন নাৎসিদের হাতে ইহুদি নিধন চলছিল, তখন ইউরোপ ছিল নিশ্চুপ। আর সেই অপরাধবোধ থেকেই পরবর্তীকালে তারা ইহুদি রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করেছিল হাজার হাজার বছরের ফিলিস্তিনি আরবদের উৎখাত করে। ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর ফিলিস্তিনি ভূমি দখল থেকে শুরু করে সব ধরনের নির্যাতনের পথ বেছে নেয় জায়নবাদীরা।

অধিকৃত পশ্চিম তীর আর গাজা ভূখণ্ড ছেড়ে দিলেও ক্রমেই পশ্চিম তীরের ভূখণ্ডের বহু অংশ দখল করে রেখেছে ইসরায়েল। গাজা পরিণত হয়েছে বড় ধরনের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে। মিসর আর ইসরায়েলের কৃপায় রয়েছে গাজার প্রায় ১৮ লাখ নিবাসী। ইদানীং মিসর রাফা চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেয়। অন্যদিকে, সমুদ্র আর স্থলসীমানা ইসরায়েলিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

দুই
বর্তমানে গাজায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে পৈশাচিক গণহত্যা। এ পর্যন্ত হাজারেরও বেশি নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছেন। অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক বিমান আর কামান নিয়ে ইসরায়েল যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তা ১৯৪৩-৪৫ সালের নাৎসি জার্মানির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নেতানিয়াহু প্রথম ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী, যিনি স্বাধীন ইসরায়েলে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ম্যানহেম বেগিনের লিকুদ পার্টির নেতা। যদিও বেগিনের সময় মিসরের সঙ্গে শান্তি চুক্তি হয়েছিল। আনোয়ার সাদাতের সঙ্গে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বাবা পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই ১৯২০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ অধিকৃত ফিলিস্তিনে চলে আসেন৷ পরে জেরুজালেমে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। আরও পরে যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদিবাদীদের সংগঠিত করেন। রিভিশনিস্টরা থিওডোর হারজেলের জায়নবাদের এক ধাপ বেশি কট্টরপন্থী। রিভিশনিস্টরা বিশ্বাস করে বৃহত্তর ইসরায়েল বা প্রমিজড ল্যান্ডে। বৃহত্তর ইসরায়েলের সীমানা সম্পূর্ণ ফিলিস্তিনি ভূমি, যা ব্রিটিশ সনদের অধীনে ছিল। রিভিশনিস্ট জায়নবাদের আদর্শে গড়ে ওঠে লিকুদ পার্টি, যদিও এই পার্টিতে কিছু মধ্যমপন্থী রয়েছে, তবে চরমপন্থীরা রয়েছে শক্ত অবস্থানে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই বাবার ছেলে, যিনি বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা করার অভিপ্রায় থেকে এক পা পেছাননি। কাজেই নেতানিয়াহুর গায়ে রয়েছে বৃহত্তর ইসরায়েলের ‘জিন’। অন্তত তাঁর বর্তমান গাজা অভিযান সে কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

তিন
বর্তমানে লিকুদ পার্টি রিভিশনিস্ট জায়নবাদীদের উত্তরসূরি, তথা সংস্কারপন্থী জায়নবাদীরা বৃহত্তর ইসরায়েলের বিষয় নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য না করলেও তার মানে এই নয় যে এ ধারণা বিসর্জিত হয়েছে। বর্তমানে গাজায় যে অভিযান চলছে, তার প্রেক্ষাপট এমন ছিল না যে ইসরায়েলকে সর্বাত্মক হামলা করতে হবে। প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল যখন ‘নাকাবা’ দিবস পালনের দিন ইসরায়েলি সৈনিকদের গুলিতে তিন ফিলিস্তিনি বালক নিহত হয়। ওই দিনটি প্রতিবছর গাজা, পশ্চিম তীর এমনকি ইসরায়েল থেকে বিতাড়িত ফিলিস্তিনিরা কালো দিবস হিসেবে স্মরণ করে থাকে। ১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে

ওই দিনই প্রায় সাত লাখ ফিলিস্তিনি নিজেদের পূর্বপুরুষের ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হয়ে জর্ডান, সিরিয়া, লেবাননে উদ্বাস্তু হয়ে আশ্রয় নেয়। আজও তাদের প্রজন্ম ওই সব দেশে উদ্বাস্তু শিবিরে রয়েছে। প্রতিবছর ফিলিস্তিনিরা এই দিনটি নাকাবা দিবস হিসেবে স্মরণ করে থাকে। ফিলিস্তিনি বালকদের নিহত হওয়ার ঘটনার পর তিন ইসরায়েলি নব্য বসতির বাসিন্দা বালক, যাদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অপহৃত হয়। গত ১২ জুন ওই তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার হলে ইসরায়েল অপহরণ আর হত্যার জন্য হামাসকে দায়ী করলেও তারা এর সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে। এ ঘটনার পর থেকে হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান শুরু হয়। কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে, যাদের মধ্যে পাঁচজনকে হামাস-সমর্থক বলে দাবি করে ইসরায়েল। সন্দেহভাজনদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে উগ্র জায়নবাদীরা পূর্ব জেরুজালেমে এক ফিলিস্তিনি বালককে প্রহার করে মুখের মধ্যে পেট্রল ঢেলে জীবন্ত অবস্থায় পুড়িয়ে মেরে ফেলে। পরের শুক্রবারে জেরুজালেমে তার জানাজায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আরব যোগ দিলে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে হামাসের রকেট আক্রমণ বাড়তে থাকে বলে ইসরায়েল দাবি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে গাজায় নেতানিয়াহু হত্যাযজ্ঞে চালাচ্ছেন।

চার
বর্তমানে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের যে ধরন ও ব্যাপকতা, তা ওপরে বর্ণিত প্রেক্ষাপটের কারণেই ঘটেছে, এমন ভাবার অবকাশ নেই। এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর ইসরায়েল বাস্তবায়নের সংশোধিত পরিকল্পনা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সহায়ক বলে মনে করেছেন ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকেরা। এ হামলার প্রেক্ষাপটে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সহায়ক পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়াই নয়, হঠাৎ ঘটে যাওয়া ফাতাহ-হামাস একতাবদ্ধ হওয়ার প্রচেষ্টাকে নষ্ট করাও ছিল এর উদ্দেশ্য। মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বের প্রতি ক্রমেই পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। বিনা প্রতিবাদে পশ্চিম তীরের ভূমি দখল, ইসরায়েলি আগ্রাসন হজম করা; যুক্তরাষ্ট্রে তথা ইসরায়েলের প্রভাব বিস্তার এবং ব্যাপক দুর্নীতির কারণে পশ্চিম তীরে হামাসের সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফাতাহকে টিকে থাকতেই হামাসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মন্ত্রিসভা তৈরি করা হয়েছিল। অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছিল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করার।

যুক্তরাষ্ট্র এসব ভালো চোখে দেখেনি। হামাসের জনপ্রিয়তা, জোট মন্ত্রিসভা ও ইসরায়েল ‘সীমিত হলেও’ চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতাকে খর্ব করার প্রয়াসে ইসরায়েল সর্বাত্মক হামলায় নেমেছে। প্রধান উদ্দেশ্য হামাসের নেতৃত্বকে দুর্বল অথবা নিশ্চিহ্ন করা, একই সঙ্গে গাজায় তথা পশ্চিম তীরে হামাসের সমর্থক এবং হামাস নেতৃত্বের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা। ইসরায়েল প্রচারমাধ্যম গাজায় হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য হামাসকেই দায়ী করে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধেও লিপ্ত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ইসরায়েলকে উৎসাহিত করেছে হামাস তথা গাজার হামাস-সমর্থক জনগোষ্ঠীকে শাস্তি দেওয়ার প্রয়াসকে। মিসরের পটপরিবর্তন হামাসের হাতকে দুর্বল করেছে। কারণ, মুসলিম ব্রাদারহুড ক্ষমতায় আসার পরপরই মিসরের প্রত্যক্ষ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট মুরসি। মিসরের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল তুরস্ক। তুরস্কের সঙ্গে হামাসের যোগাযোগ রয়েছে। মুরসির প্রশাসন বহু বছর সীমিত থাকা রাফা ক্রসিং উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, রাফা ক্রসিং মিসর আর গাজার মধ্য একমাত্র বৈধ ও নিশ্চিত পথ। এ পথই গাজার প্রশাসন ও গাজাবাসীর জিয়নকাঠি। এ পথটি এখন পুনরায় সীমিত করা হয়েছে। মুরসির ক্ষমতাচ্যুতি এবং সিসির মাধ্যমে মিসরের সেনাবাহিনীর আধিপত্য পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় হামাসকে দুর্বল ও কাবু করার প্রয়াসে উৎসাহিত হয়েছে ইসরায়েল। তাদের ধারণা, নাউ অর নেভার—এখন না হলে কখনো না। এর অন্যতম কারণ মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিকর অবস্থা। ইরাক তথা সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সুন্নি কট্টরপন্থীদের উত্থান ওই অঞ্চলে শিয়া-সুন্নির মধ্যে বিরোধ আরও জটিল আকার ধারণ করে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের মুখোমুখি করেছে। ইরান বাগদাদে মালিকি সরকারকে টিকিয়ে রাখতে যুদ্ধবিমানও পাঠিয়েছে। অন্যদিকে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলের শহর কিরকুক কুর্দিদের দখলে যাওয়ার পর আগামী দুই মাসের মধ্যে কুর্দিরা নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণার কথা জানিয়েছে। এমনিতেই বর্তমানে ইরাকি কুর্দিস্তান প্রায় আলাদা সত্তা হিসেবে রয়েছে। সাদ্দাম হোসেনের সময় থেকেই ইসরায়েল কুর্দিদের সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা দিয়ে আসছে। বর্তমানে পেশমার্গদের প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শে চলছে পেশমার্গার অভিযান। ইরাকি কুর্দিস্তানের স্বাধীন রাষ্ট্রে রূপ নেওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমর্থন না থাকলেও নতুন মধ্যপ্রাচ্যের পরিকল্পনার একাংশ কুর্দি স্বাধীনতা। কুর্দিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলে ইসরায়েলের অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত হবে একসময়ের ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। প্রসঙ্গত, একসময় কিরকুক থেকে ইসরায়েলে তেল পাইপলাইনে রপ্তানি হতো।

পাঁচ
ইরাক তিন খণ্ডে ভাগ হলে কুর্দিস্তান নিয়ে অস্বস্তিতে থাকবে ইরাক আর তুরস্ক। অন্যদিকে, ইসরায়েলিদের অন্য শক্ত প্রতিপক্ষ সিরিয়ার অবস্থাও তথৈবচ।সিরিয়াও দুই ভাগে ভাগ হওয়ার পথে। মধ্যপ্রাচ্যের এহেন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব তথা উপসাগরীয় দেশগুলো দারুণ উৎকণ্ঠায় রয়েছে। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপে রয়েছে ইসরায়েলের রিভিশনিস্ট জায়নবাদীরা।

যা-ই হোক, গাজার রক্তপাত বন্ধ করতে যার যার মতো করে যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষভাবে মিসর ও জাতিসংঘ তৎপর রয়েছে। এর মধ্য দিয়েও চলছে ইসরায়েলি বর্বরতা। যুদ্ধ বন্ধ করতেই হবে, তার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। তবে যুদ্ধ বন্ধ করলেই এই চলমান সংকটের সমাধান আসবে না। যুদ্ধ বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে প্রথমত হামাসের ন্যূনতম দাবি, অবরোধ প্রত্যাহার করা এবং গাজাবাসীকে স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও পশ্চিম তীরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা ইত্যাদির সমাধান করতে হবে, যাতে গাজায় এ রক্তপাত বৃথা না যায়। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রও ইসরায়েলকে তৈরি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে স্বীকার করতে হবে যে গাজার ১৮ লাখ মানুষকে বাদ দিয়ে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তি স্থাপন সম্ভব নয়। ইসরায়েলকে এতদঞ্চলে শান্তিতে বাস করতে হলে বৃহত্তর ইসরায়েলের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে হবে। তবে গাজার এই রক্তপাতের এবং গণহত্যার জন্য দায়ী ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে অবশ্যই বিশ্ববিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.): অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও কলাম লেখক

You Might Also Like