বিএনপি, বিকল্পধারা, জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া

গত শনিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিএনপি, বিকল্পধারা, জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া আয়োজিত নাগরিক সমাবেশ সফল হওয়ার পর থেকেই সারাদেশে বিরোধী নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হামলা মামলা এবং গ্রেফতারকে উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসার অপেক্ষায় লাখো নেতাকর্মী। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই জনগণের ভোটাধিকার ও দেশের হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আওয়ামী লীগের সাথে ঐক্য হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যের নাগরিক সমাবেশকে সাম্প্রদায়িক সমাবেশ বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ। তারা বলছে, এই ধরনের ঐক্যের মাধ্যমে বিরোধীরা সরকারের কিছুই করতে পারবে না। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনার মধ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটি বিএনপিসহ কিছু দলের সাম্প্রদায়িক ঐক্য। এটি কোনো জাতীয় ঐক্য নয়। আওয়ামী লীগ ছাড়া জাতীয় ঐক্য হতে পারে না।

জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয় ঐক্য অবশ্যই সফল হবে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে বন্দুকের জোর বেশি দিন টেকে না, টিকতে পারে না। জনগণের বিজয় নিশ্চিত। ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ তো আগেই জনগণকে ছেড়ে দিয়েছে। যারা জনগণকে ছাড়ে, জাতিকে ছাড়ে, তাদের সঙ্গে ঐক্য কিসের। ঐক্য করতে হলে যে কাজগুলো করা দরকার, সেগুলো করুন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন, সংসদ ভেঙে দিন, সেনা মোতায়েন করুন নির্বাচনে, খালেদা জিয়ার মুক্তি দিন। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যে আসতে হলে আওয়ামী লীগকে আগে সংশোধন হয়ে আসতে হবে। নিজেদের সংশোধন করে সঠিক পথে আসুন। তখন না হয় বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনীতির দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে সরকার বিরোধী শিবিরে। রাজনৈতিক ভাগ্যাকাশে দেখা দিয়েছে আশার বিদ্যুতের ঝলক। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির নেতারা বলছে, বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য দেশবাসীর জন্য আর্শিবাদ।

সূত্র মতে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট ও জোটের বাইরের অধিকাংশ রাজনৈতি দল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জাতীয় ঐক্যে অনেকেই থাকলেও মূল পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে বিএনপিকে। বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের স্বার্থরক্ষা এবং দল ও ২০ দলীয় জোটের স্বার্থ রক্ষা করে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বৃহত্তর ঐক্য বাস্তবায়ন করাই এখন দলটির বর্তমান নেতৃত্বের মূল চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য নিয়েই শনিবারের (২২ সেপ্টেম্বর) ড. কামাল হোসেনের ডাকা নাগরিক সমাবেশে যোগ দিয়েছে বিএনপির প্রতিনিধি। বৃহত্তর ঐক্যকে আরও বেগবান করতে বিকল্প ধারার সভাপতি বি চৌধুরীসহ অন্যান্য নীতি নির্ধারকদের সাথে আলাপ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, বিগত প্রায় আট মাস ধরে আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু করার তাগিদে একটি বৃহত্তর ঐক্যপ্রক্রিয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ড. কামাল হোসেন ও বি চৌধুরীর ঐকমত্যের মধ্য দিয়ে এর একটি প্রাথমিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। শনিবার এই প্রক্রিয়া বৃহত্তর ঐক্যের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। এটি তাদের প্রথম সফলতা। শনিবারের সমাবেশ থেকে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। এতেই বেকায়দায় পড়ে গেছে সরকারি দল। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলতি মাসের ৩০ সেপ্টম্বরের মধ্যে বিরোধী দলগুলোর সাথে বসে চলমান সংকটের সমাধান করতে হবে। অন্যথায় পহেলা অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী সমাবেশ করবে তারা। এসব সমাবেশে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সম্মিলিত ৫ দফা ও ৯ লক্ষ্যকেই সামনে রাখা হবে। এক্ষেত্রে সমাবেশ থেকে আবারও সংসদ ভেঙে দেওয়া, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান, নির্বাচনকালীন সরকারের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার দাবিগুলো বক্তব্যে আসবে।

সূত্র বলছে, সমাবেশে একমঞ্চে আসা সবগুলো দলের মধ্যে সমন্বিতভাবে আলোচনা শুরু করে দ্রুত নতুন কর্মসূচি ঠিক করা হবে। যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার অন্যতম নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, যৌথ নেতৃত্বের মাধ্যমেই আপাতত জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হচ্ছে। নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বি. চৌধুরী এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন রয়েছেন। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন ও সুশাসনের জন্য বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। হয়তো এ মাসেই তা চূড়ান্ত করে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। শনিবারের সমাবেশের সফলতা দেখে আমরা আশান্বিত।

বিএনপি নেতারা বলছেন, ঐক্য প্রক্রিয়াকে বৃহত্তর অবয়ব দিতে বিএনপির ছাড় দেওয়ার কোনও বিকল্প নেই। শনিবারের সমাবেশে বিএনপির সব নেতাই বলেছেন, দেশকে চলমান সংকট থেকে উদ্ধার থেকে মুক্ত করতে হলে জাতীয় ঐক্যেল কোনো বিকল্প নেই। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার অনেক আগেই জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। সেটি যেকোন মূল্যে করা হবে। জানা গেছে, প্রক্রিয়াটি কার্যকর করতে বিএনপিকেই সর্বোচ্চ ছাড় দিতে হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি মিলেছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর ইচ্ছা বা চাহিদার সঙ্গে দেশি স্বার্থের সম্মিলন ঘটাতে হবে। পাশাপাশি দল ও ২০ দলীয় জোটের স্বার্থ মাথায় রেখেই বৃহত্তর ঐক্য সফল করতে হবে। সূত্র জানয়, নাগরিক সমাবেশের সফলতার পরই সামনের দিনের রূপকল্প তৈরি করছে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট যেমন আছে, তেমনি আরেকটি জোট দেশের ভোটাধিকার রক্ষায় জোট করবে। শনিবার। একটি সমাবেশ হয়েছে। সেখানে ২০ দলীয় জোটের অনেকেই আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে গেছেন অতিথি হিসেবে। আবার অনেকে গেছেন নিজের ইচ্ছায়। এখানে ডাকার জন্য বসে থাকলে চলবে না। দেশের সব রাজনৈতিক দলকেই এগিয়ে আসতে হবে। বিএনপির দাবি, যুক্তফ্রন্ট-জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া বা বাম জোট সবার দাবি কিন্তু কাছাকাছি ও এক। সংসদ ভেঙে দেওয়া, ইভিএম ব্যবহার না করা, সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো তো একই। কাজেই সবাই একসঙ্গে আন্দোলন করতে পারবো।

সূত্র বলছে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ইস্যু ছাড়া বাকি দাবিগুলো ক্ষমতার সুবিধাভোগী নয় এমন সব রাজনৈতিক দলের। এমন প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলগুলোর অভিন্ন দাবিতে একসঙ্গে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি চলছে। সেই লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে জাতীয় ঐক্যমঞ্চ গঠনের প্রক্রিয়া এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। নাগরিক সমাবেশ সফল হবার পর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।  সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে গণফোরাম সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সহচর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছিল। শুরু থেকে নানা কারণে বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে সন্দেহ-সংশয় থাকলেও এখন তা নেই। এরই মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে যৌথভাবে ৯ লক্ষ্য অর্জনে ৫ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাথে বিএনপিসহ আরও কিছু রাজনৈতিক দল যুক্ত হয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক জাতীয় ঐক্যমঞ্চ তৈরিতে সমঝোতা হয়েছে। অভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই সারাদেশে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি দেয়া হচ্ছে।  ফলে দেশব্যাপী এখন আলোচনার প্রধান ইস্যু ড. কামালের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য। যা সরকারি দলের মধ্যে কিছুটা অস্বস্থি তৈরি করেছে। এমনকি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য নিয়ে সরকারের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এ ক্ষেত্রে ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের সব দাবি মেনে নিতে সম্মত হয়েছে বিএনপি। জাতীয় ঐক্যমঞ্চের ব্যানারে কমন দাবিগুলো নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে নামতে কারো দ্বিমত নেই। তবে এ মুহূর্তে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইস্যুতে আলোচনা চলছে।

একযুগ আগে ক্ষমতা থেকে দূরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। এরপর বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াসহ দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী মামলার জালে জড়িয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী খালেদা জিয়া। প্রবাসে জীবনজাপন করছে দলের পরবর্তী কান্ডারী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরই মধ্যে জিয়া পরিবারকে সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। গুম, খুন-অপহরণের শিকার ১২শ’ নেতাকর্মী। মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ। আসামরি সংখ্যা আগে ৮ লাখ হলেও এখন অসংখ্য। এসবের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলনের চেষ্টা করেছে বিএনপি। কিন্তু হালে পানি পয়নি। কর্মসূচি দিলেও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বাধারমুখে রাস্তায় নামতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে সরকার বিরোধী একটি বৃহৎ জাতীয় ঐক্য প্রত্যাশা ছিল ২০ দলীয় জোটনেতা খালেদা জিয়ার। বিভিন্ন দাবি সামনে রেখে ঐক্যের ডাক দিলেও দাবিগুলোকে বিএনপির একান্ত দাবি বলে আখ্যা দেওয়া হতো। সময়ের ব্যবধানে জাতীয় ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছে। দাবি-দাওয়া জানিয়ে সরকারকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে। এরপর থেকে শুরু হবে সভা-সমাবেশসহ কার্যকর কর্মসূচির আন্দোলন।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, জাতীয় ঐক্য সরকারের জন্য একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সরকার এটি মোকাবেলা করতে পারবে না। আমরা আশা করছি মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারব।

খেলাফত মজলিশের মহাসচিব মাওলানা আহম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, ঐক্যের সূচনা শুভ হিসেবে দেখছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই সংকীর্ণতার ঊধের্¦ উঠে দেশের স্বার্থে কাজ করলে ভালো কিছু আশা করা যায়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের মতে, জাতির প্রয়োজনে জাতীয় নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এতোদিন যে দাবিগুলো বিএনপির দলীয় দাবি বলে রং দেওয়া হতো এখন তা জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। জেল-জুলম, মামলা-নির্যাতন, হুলিয়া নিয়ে সারা দেশের প্রয় কোটি নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবে। তিনি বলেন, ’৭১-এ মুসলিম লীগ ছাড়া ঐক্য হয়েছিল, ’৯০-এ জাতীয় পার্টি ছাড়া ঐক্য হয়েছে। জাতির প্রয়োজনে এবারো আওয়ামী লীগ ছাড়া বৃহত্তর ঐক্য হচ্ছে। বরং সাড়া না দিয়ে ক্ষমতাসীনরা ভুল করছে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দল ছাড়া বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল এই ঐক্যমঞ্চে। দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় এই মঞ্চ থেকে যে ডাক আসবে পুরো জাতি তাতে সাড়া দেবে বলে আমি মনে করি। আমাদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নতুন এটা উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

You Might Also Like