এস কে সিনহার বই নিয়ে তোলপাড়

বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার আত্মজীবনীমূলক বই ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ প্রকাশের পরপরই তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশে ও বিদেশে। বইটিতে তিনি যে চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তাতে বেশ খানিকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে। বিশেষ করে জাতিসংঘের অধিবেশনের যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী যখন নিউইয়র্ক আসছেন তার ঠিক অল্প কদিন আগে বই টি প্রকাশ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মাধ্যম আমাজান।

 

প্রকাশিত বইয়ে যা বলা হয়েছে তাতে, দেশের সামগ্রিক বিচার বিভাগের বিভাগের স্বাধীনতা নেই বললেই চলে। তিনি যা লিখেছেন, সেই সব কথা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রমাণ করে না। প্রমাণ করে যে, প্রশাসন অর্থাৎ সরকার ও তার অন্যান্য বিভাগ বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তাহলে কী দাঁড়ালো? পঁচাত্তরের যেটা করা হয়েছিলো আইন করে। এখন করা হচ্ছে কৌশলে। কিন্তু বাস্তবতা একই বলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

‘এ ব্রোকেন ড্রিম’-এ তিনি বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬শ সংশোধনী বাতিলের রায়টি যেন সরকারের পক্ষে যায়, সেজন্যে তার তার ওপর সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে চাপ তৈরি করা হয়েছিল।

 

সাক্ষাতকারে যা বললেন এসকে সিনহা

 

কিভাবে তিনি, তার ভাষায়, ‘সামরিক গোয়েন্দা দফতরের হুমকির মুখে দেশত্যাগ এবং পরে পদত্যাগে’ বাধ্য হয়েছিলেন সেই বর্ণনাও তিনি দিয়েছেন এই বইতে।

 

এমন বিব্রতকর অবস্থায় সরকারের মন্ত্রীরা সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার আত্মজীবনীমূলক বই লেখাকে ‘কল্পনাপ্রসূত এবং মিথ্যা’ বলে বর্ণনা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা এক আত্মজীবনীমূলক বইয়ে তাকে সরকারের চাপ এবং হুমকির মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে – এমন দাবি করার পর সরকারের মন্ত্রীরা একে ‘কল্পনাপ্রসূত এবং মিথ্যা’ বলে বর্ণনা করেছেন।

 

‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ -নামের বইতে মি. সিনহা বর্ণনা করেছেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়টিকে কেন্দ্র করে তার ওপর সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে চাপ তৈরি করা হয়েছিল।

 

এর প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এ অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা।

 

সংবিধানের ১৬শ সংশোধনী বাতিলের রায় পক্ষে নিতে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে বিচারপতি সিনহা যে অভিযোগ করেছেন, তা নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ. টি. ইমাম বিবিসিকে বলেন, বিচারপতি সিনহা নিজেই বিচারবিভাগ এবং সংসদের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন।

 

এছাড়া সরকারের চাপে তাঁর দেশ ছাড়ার অভিযোগ নাকচ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

বিদেশে থাকা সাবেক প্রধান বিচারপতির বই এবং তাঁর বক্তব্য নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিচারপতি সিনহার বই লেখার বিষয়কে ক্ষমতা হারানোর জ্বালার সাথে তুলনা করেছেন।

 

তিনি বলেন, ক্ষমতায় যখন কেউ না থাকে, তখন অনেক অন্তর্জ্বালা, বেদনা থাকে। ক্ষমতা হারানোর জ্বালা থেকে বইটি লিখে মনগড়া কথা বলা হয়েছে বলে মি: কাদের মন্তব্য করেন।

 

বিচারপতি সিনহা’র অন্যতম অভিযোগ হচ্ছে, তাঁকে অসুস্থ বানিয়ে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল।

 

একই সাথে তিনি সরকারের চাপ এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই এর হুমকির মুখে দেশ ছাড়ার যে অভিযোগ এনেছেন, এ সব অভিযোগ নাকচ করে দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

“প্রথম কথা হচ্ছে যে, তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয় নাই। তিনি আমার কাছে চিঠি লিখেছেন যে তিনি অসুস্থ। তাহলে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে যে তিনি যখন যেখানে প্রয়োজন, যে মিথ্যার আশ্রয় নিলে তাঁর পক্ষে হবে, তিনি ঠিক সেই মিথ্যার আশ্রয় নেন।”

 

“তখন তিনি আমার কাছে চিঠি লিখেছিলেন যে, তিনি অসুস্থ। সেই সব চিঠি আমার কাছে আছে। তো উনি এসব কথা বললেইতো আর এসবের জবাব দিতে হবে না।”

 

ডিজিএফআই এবং আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি নিয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

 

এছাড়া সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পক্ষে নিতে সরকারের সর্বোচ্চ মহলের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির যে অভিযোগ তুলেছেন বিচারপতি সিনহা, সেই অভিযোগে সরকারের অনেকে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ. টি. ইমাম বলেছেন, বিচারপতি সিনহা নিজেই সংসদ এবং বিচারবিভাগের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন বলে তাঁরা মনে করেন।

 

এইচ. টি. ইমাম বিচারপতি সিনহার লেখা বইয়ের নামকরণেরও সমালোচনা করেন। “ব্রোকেন ড্রিমটা জাস্টিস এস কে সিনহা’র নিজের। তার কিছু স্বপ্ন ছিল,সেই স্বপ্নগুলো পূরণ হয়নি, এটাই হলো তাঁর মানে স্বপ্নভঙ্গের ইতিহাস।”

 

এইচ. টি. ইমাম বলেছেন, “এখন উনি যেগুলো বলেছেন, ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে তাঁর রায় এগুলো নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তিনি তাঁর নিজের দিকটা একেবারেই আড়াল করে গেছেন।”

 

“প্রত্যেকটি জায়গায় বিচারপতি সিনহা’র অনধিকারচর্চা। এবং রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, প্রধান বিচারপতিরা অনেক সময় ভাল কথা বলেন। কিন্তু এই ধরণের একটা অবস্থান নেয়া, যে আমিই সব। আমিই সব করবো। দ্বিতীয় হলো, এতেও তো হচ্ছে না। অতএব আমাকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করতে হবে, তার পিছনে এই অর্থনৈতিক যতকিছু কর্মকাণ্ড। সবকিছু মিলিয়েই এই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।”

 

সরকারের অনেকে এখন আবার বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে সামনে আনছেন।

 

তবে তিনি বইতে লিখেছেন এবং বিবিসির সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে না জানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ অন্য বিচারপতিদের কাছে তুলে ধরে ধরেছিলেন।

 

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

 

“এটাই যদি তিনি বলে থাকেন এবং লিখে থাকেন, তাহলে তিনি সর্বৈব মিথ্যা লিখেছেন। তাঁর কল্পনাপ্রসূত কথাবার্তা লিখেছেন। যারা অন্যান্য মাননীয় বিচারপতি আছেন এবং ছিলেন তখন। তাঁরা কিন্তু কেউই নাবালক নন। কথা হচ্ছে, কোনো চাপ দেয়া হয় নাই। এবং উনি যে রায় দিতে চেয়েছিলেন, সেই রায়ই কিন্তু দিয়েছেন। সেই কথাটাই আমি উল্লেখ করছি এবং সে জন্যই বলছি, তিনি যা লিখেছেন, সেটা সর্ববৈ মিথ্যা।”

 

তবে বিচারপতি সিনহা তাঁর বইয়ে বা বক্তব্যে যে সব অভিযোগ তুলেছেন, সেগুলো সরকারকে একটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন। তারা বলছেন, এটা সরকারের জন্য নেতিবাচক হতে পারে। কিন্তু এইচ. টি. ইমাম মনে করেন, এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

 

“তাঁর সম্পর্কে ,তাঁর যে বিশাল চারিত্রিক দুর্বলতা,তাঁর দুর্নীতি ইত্যাদি মানুষের মুখে মুখে। সবাই তা জানেন। সেজন্য আমার মনে হয় না, এটা কোনো প্রভাব ফেলবে।”

 

বিচারবিভাগের উপর নির্বাহী বিভাগের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রশ্নও বিশ্লেষকদের অনেকে তুলছেন।

 

তা মানতে রাজি নন আইনমন্ত্রী। তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, বিচারপতি সিনহার কর্মকাণ্ডই, তাঁর ভাষায়, বিচারবিভাগকে কলুষিত করেছে।

 

এখানে বইটির মুখবন্ধের কিছু অংশের অনুবাদ দেয়া হলো।

 

‘বলা হতে লাগলো আমি অসুস্থ’
সিনহা লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এবং তার দলের অন্যান্য সদস্য ও মন্ত্রীরা পার্লামেন্টের বিরুদ্ধে যাবার জন্য আমার কঠোর নিন্দা করেন। প্রধানমন্ত্রী সহ ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা আমার বিরুদ্ধে অসদাচরণ এবং দুর্নীতির অভিযোগ এনে বদনাম করতে শুরু করেন।’

 

‘আমি যখন আমার সরকারি বাসভবনে আবদ্ধ, আইনজীবী এবং বিচারকদের আমার সাথে দেখা করতে দেয়া হচ্ছিল না, তখন সংবাদমাধ্যমকে বলা হয় – আমি অসুস্থ. আমি চিকিৎসার জন্য ছুটি চেয়েছি।’

 

‘একাধিক মন্ত্রী বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবো।’

 

‘অক্টোবরের ১৪ তারিখ, যখন আমি দেশ ছাড়তে বাধ্য হই – তখন একটি প্রকাশ্য বিবৃতিতে আমি পরিস্থিতি স্পষ্ট করার চেষ্টায় একটি বিবৃতি দেই যে আমি অসুস্থ নই এবং আমি চিরকালের জন্য দেশ ছেড়ে যাচ্ছি না।’

 

‘আমি আশা করছিলাম যে আমার প্রত্যক্ষ অনুপস্থিতি এবং আদালতের নিয়মিত ছুটি – এ দুটো মিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সহায়ক হবে, এবং শুভবুদ্ধির উদয় হবে, সরকার ওই রায়ের যে মর্মবস্তু – অর্থাৎ বিচারবিভাগের স্বাধীনতা যে জাতি ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর – তা বুঝতে পারবে।’

 

‘শেষ পর্যন্ত দেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা – যার নাম ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স – তাদের ভীতি প্রদর্শন এবং আমার পরিবারের প্রতি হুমকির সম্মুখীন হয়ে আমি বিদেশ থেকে আমার পদত্যাগপত্র জমা দেই।’

 

‘বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের দ্বন্দ্ব’
সিনহা লেখেন, তার এ বইতে তার ব্যক্তিগত ও বিচার বিভাগে কর্মজীবনের কথা, ‘বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি চ্যালেঞ্জসমূহ, বিচারবিভাগ ও রাজনীতিবিদদের মূল্যবোধের অবক্ষয়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, পুলিশের বাড়াবাড়ি, জরুরি অবস্থার প্রভাব, এবং ‘ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের অর্থ আদায়ের’ বিবরণ আছে।

 

বিচারপতি সিনহার বই-এর একটি মুখবন্ধ রয়েছে – যাতে তিনি সংক্ষেপে ‘বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের দ্বন্দ্ব’ বর্ণনা করেছেন এবং তার ভাষায় কী পরিস্থিতিতে তিনি প্রধান বিচারপতির পদ ত্যাগ করে বিদেশে গিয়েছিলেন তা লিখেছেন।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এ নিয়ে বিবিসির সাথে সাক্ষাতকারও দিয়েছেন। গত বছরের নানা নাটকীয় ঘটনাবলীর পর কোন গণমাধ্যমে এটিই ছিল তার প্রথম সাক্ষাৎকার।

 

‘আপনাকে বলা হলো বিদেশে যাবেন, কিন্তু যাচ্ছেন না’
তিনি সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমাকে যখন কমপ্লিটলি হাউজ এ্যারেস্ট করা হলো, …তখন বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিদিন একজন করে ডাক্তার আমার কাছে পাঠানো হতো। আমি নি:শ্বাস নিতে পারছিলাম না।’

 

‘এর মধ্যে ডিজিএফআইয়ের চিফ এসে বললেন, হ্যাঁ আপনাকে বলা হলো আপনি বিদেশ যাবেন, আপনি যাচ্ছেন না।’

 

‘আমি বললাম: কেন যাবো আমি বিদেশে?’

 

‘আপনি চলে যান, আপনার টাকা পয়সার আমরা ব্যবস্থা করছি।’

 

‘আমি বললাম, এটা হয় না, আমি আপনাদের টাকা নেবো না। আর আপনারা বললেই আমি ইয়ে করবো না। আমি চাই সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমি আলাপ করি । ব্যাপারটা কি হয়েছে আমি জানতে চাই। (তিনি) বলেন যে প্রধানমন্ত্রী আপনার সাথে কথা বলবেন না।’

 

বাংলাদেশের পার্লামেন্টে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে সংবিধান সংশোধন করে বিচারপতিদের ইমপিচ করার ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের পরিবর্তে পার্লামেন্টের সদস্যদের দেবার পর ২০১৬ সালের ৫ই মে হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি বিশেষ বেঞ্চ ওই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেয়। সরকার এর বিরুদ্ধে আপীল করে, এবং সাত সদস্যের একটি বেঞ্চে আপীলের শুনানী হয়।

 

বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার বইতে লেখেন, ‘জুলাইয়ের ৩ তারিখ প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ আপীল খারিজ করে হাইকোর্ট ডিভিশনের রায় বহাল রাখে। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের ১ তারিখ সর্বসম্মত রায়ের পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত হয়।’

 

সেখানে তিনি লেখেন, ‘ওই সিদ্ধান্তের পর সেপ্টেম্বরের ১৩ তারিখে পার্লামেন্ট একটি প্রস্তাব পাস করে – যাতে সেই রায়কে বাতিল করার জন্য আইনী পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়।’

 

[পুরো বইটি পড়তে ক্লিক করুন]
[পিডিএফ ফরমেটে দেয়া আছে]

You Might Also Like