১৬ মে থেকে পবিত্র রমজান, কেমন প্রভাব পড়বে মুসলিম খেলোয়াড়দের উপর!

সেমিফাইনালে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ ও লিভারপুল। ২৬ মে ইউক্রেনের কিয়েভে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। কিন্তু ১৬ মে থেকে ইউরোপে শুরু হবে মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাস।

এই মাসে ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলা অধিকাংশ মুসলিম খেলোয়াড়রা সিয়াম সাধনা করে থাকেন। রোজা রেখেই তারা অনুশীলন করেন, খেলে থাকেন। লিভারপুলের স্কোয়াডে ইসলাম ধর্ম মেনে চলা খেলোয়াড় আছেন বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানে ও এমরি ক্যান। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদে আছেন আশরাফ হাকিমি।
এখন প্রশ্ন হল রোজার মধ্যে তারা কিভাবে তাদের সেরাটা দিয়ে খেলবেন? যেখানে তাদের গভীর রাতে উঠে সাহরি খেতে হবে। সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ পর্যন্ত তারা খাবার তো দূরের কথা, পানিও পান করতে পারবেন না। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সূর্যোদ্বয় ও সূর্যাস্তের সময় অনুযায়ী প্রায় ১৩ থেকে ১৬ ঘণ্টা রোজা রাখতে হবে তাদের। সেক্ষেত্রে মুসলিম খেলোয়াড়দের দৈনন্দিন সূচিতে প্রভাব পড়তেই পারে। তাহলে কী সালাহ, মানে ও এমরিরা ফাইনালে তাদের সেরাটা দিয়ে খেলতে পারবেন না?

তবে ২৬ মে পর্যন্ত ১১ রমজান শেষ হবে। তাতে করে মুসলিম খেলোয়াড়রা হয়তো অভ্যস্ত হয়ে যাবে সাহরি খাওয়া, সারাদিন রোজা রাখা ও সেগুলো মেনে অনুশীলন করার সঙ্গে। তারা যদি নিউট্রিশনাল রুটিন মেনে চলতে পারেন, তাহলে সেটা খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না তাদের পারফরম্যান্সে।

তার উপর ২৬ মে কিয়েভের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে ফাইনাল। কিন্তু কিয়েভে যে সূর্যই অস্ত যায় রাত ৮টা ২১ মিনিটে। আর সূর্যোদ্বয় হয় ভোর ৫টা ২৮ মিনিটে।

You Might Also Like