রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় রোনালদো

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আরেকটি রেকর্ড ডাকছে। বার্নব্যুতে মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে মাঠে নেমে প্রাক্তন বার্সেলোনা মিডফিল্ডার জাভিকে (১৫১ ম্যাচ) ছাড়িয়ে গেছেন রোনালদো (১৫২ ম্যাচ)।

ঘরের মাঠে জিততে না পারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ২৫ মে কিয়েভের ফাইনালে রিয়ালের প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটা জানা যাবে বুধবার রাতে। এদিন আরেক সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে রোমা ও লিভারপুল। প্রথম লেগে ঘরের মাঠে লিভারপুল ৫-২ গোলে জিতে এগিয়ে আছে।

সব ঠিক থাকলে ২৫ মে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ষষ্ঠ ফাইনাল খেলতে নামবেন রোনালদো। চ্যাম্পিয়নস লিগ নামকরণের পর আর কোনো খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় এর চেয়ে বেশি ফাইনালে খেলতে পারেননি।

প্রাক্তন এসি মিলান তারকা পাওলো মালদিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে ৬টি ফাইনাল খেলেছেন (১৯৯৩, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ২০০৩, ২০০৫, ২০০৭)। সর্বকালের সেরা লেফটব্যাকদের একজন মালদিনি ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় ফাইনাল খেলেছেন অবশ্য ৮টি। এর দুটি ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ নামকরণের আগে ইউরোপিয়ান কাপে (১৯৮৯ ও ১৯৯০)।

চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫টি করে ফাইনাল খেলেছেন তিনজন- রোনালদো, প্যাট্রিস এভরা, ক্ল্যারেন্স সিডর্ফ ও এডউইন ফন দের সার। রোনালদোর ৫ ফাইনালের মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুটি (২০০৮ ও ২০০৯) ও রিয়ালের জার্সিতে ৩টি (২০১৪, ২০১৬, ২০১৭)। পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরা এই খেলোয়াড় কিয়েভের ফাইনালে খেললেই ছুঁয়ে ফেলবেন মালদিনির রেকর্ড।

মালদিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে তার ৬ ফাইনালের মধ্যে জিতেছেন তিনটি। রোনালদো তার ৫ ফাইনালের ৪টিই জিতেছেন। শুধুমাত্র ২০০৯ সালের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরাজিত দলে ছিলেন।

You Might Also Like