মাদ্রিদের সামনে এখন কেবলই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপার হাতছানি

রিয়াল মাদ্রিদের সামনে এখন কেবলই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপার হাতছানি। আর মাত্র দুটি ম্যাচ জিতলেই টানা তৃতীয় ও ক্লাবের ত্রয়োদশ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা শোকেসে তুলতে পারবে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।

কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগ যে তাদের জন্য কিয়েভের আগে আরেক ফাইনাল। কারণ, প্রথম লেগে রিয়াল ২-১ গোলে এগিয়ে থাকলেও অতীত স্মৃতি স্বস্তি দিচ্ছে না লস ব্লাঙ্কোসদের। গেল বছর কোয়ার্টার ফাইনালে এই বায়ার্নকে পেয়েছিল রিয়াল। প্রথম লেগে ২-১ গোলের জেতার পর ফিরতি লেগে রিয়ালের ঘরের মাঠে এসে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছির বায়ার্ন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়িয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। শেষ পর্যন্ত রোনালদো হ্যাটট্রিকে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলে জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল রিয়াল।

এরকম ম্যাচ খেলার বেশ অভিজ্ঞতা আছে রিয়ালের খেলোয়াড়দের। তারপরও তারা বায়ার্নকে সমীহ করছে। সাম্প্রতি বছরগুলোতে বায়ার্নও যে ভালো পারফরম্যান্স করছে। সবশেষ সাত বছরে এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো সেমিফাইনাল খেলছে বাভারিয়ানরা। ২০১২ সালে রিয়ালের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেছিল বায়ার্ন। সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল। অবশ্য চেলসির কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখকে।

২০১৩ সালে বার্সেলোনার মতো দলকে দুই লেগে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে এসেছিল তারা। বরুসিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ইয়ূপ হেইঙ্কেসের শিষ্যরা। সে কারণেই রিয়ালের ঘুম হারাম এই ম্যাচকে সামনে রেখে। কখন কী হয়ে যায়, বলা তো যায় না।

তাই বায়ার্নের বিপক্ষের ম্যাচটি ফাইনালের আগে তাদের জন্য একপ্রকার ফাইনাল। এই ম্যাচটি নিয়ে রিয়ালের খেলোয়াড়রাও বেশ সতর্ক। তারা তাদের সেরাটা দিয়ে খেলতে প্রস্তুত।

You Might Also Like