আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভারত ইন্টারফেয়ার করবে না : ওবায়দুল কাদের

আগামী জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে ভারত ইন্টারফেয়ার করবে না বলে আবারো দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে ভারত সফর শেষে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা একটি রাজনৈতিক দল। আমার আজ ক্ষমতায় আছি কাল নাও থাকতে পারি। আমাদের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে কে ক্ষমতায় আসবে। এই বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্টারফেয়ার করার কিছু নেই। অতিতে ভারত এরকম কিছু করেনি। আমরাও আশা করি না। এসব ব্যাপার আমরাই ঠিক করব। বিদেশি শক্তি আমাদের বন্ধু হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে আমরা তা আশা করি না।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থে আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতে পারি। আমাদেরকে বিজেপি আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমরা কি সেখানে খেতে গেছি নাকি? ওখানে কি আমরা বেড়াতে গেছি? আনন্দ উল্লাস করতে গেছি? আমার তাদের সঙ্গে সিরিয়াসলি আলাপ আলোচনা করেছি। আমার এসব কিছু একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলব।
কাদের বলেন, ভারতের রোলিং পার্টির আমন্ত্রণে আমরা ভারতে গিয়েছি। সেখানে পার্টি টু পার্টি আলোচনা হয়েছে। আমার সব ইস্যুর ওপর কথা বলেছি। সেগুলোর মধ্যে সীমান্ত চুক্তির জন্য আমার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করেছেন তারা। এই দুইজন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় ছিলেন বলে এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা আশা করি তিস্তা চুক্তিও হবে। আমাদের পানির জন্য যে হাহাকার আছে তা উপস্থাপন করেছি। এই চুক্তি হলে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমার দুই-একদিনের মধ্যেই একটি সংবাদ সম্মেলন করব। কারণ তথ্য যদি না দিই তাহলে এটা শুভ নয়। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। আমার কিছু গোপন করতে চাই না। সংবাদ সম্মেলনে আমরা সবকিছু প্রকাশ করব, যেন কোনো গুজব ছড়াতে না পারে।
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি তিন দিন দেশে ছিলাম না। না জেনে কিছু বলতে পারবো না। আর আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এই বিষয়ে কথা বলেছেন।
প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ও কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম মিলন।
বলে আবারো থেকে ফিরে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার বিকালে ভারত সফর শেষে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা একটি রাজনৈতিক দল। আমার আজ ক্ষমতায় আছি কাল নাও থাকতে পারি। আমাদের ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ। দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে কে ক্ষমতায় আসবে। এই বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ইন্টারফেয়ার করার কিছু নেই। অতিতে ভারত এরকম কিছু করেনি। আমরাও আশা করি না। এসব ব্যাপার আমরাই ঠিক করব। বিদেশি শক্তি আমাদের বন্ধু হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে আমরা তা আশা করি না।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থে আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক করতে পারি। আমাদেরকে বিজেপি আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমরা কি সেখানে খেতে গেছি নাকি? ওখানে কি আমরা বেড়াতে গেছি? আনন্দ উল্লাস করতে গেছি? আমার তাদের সঙ্গে সিরিয়াসলি আলাপ আলোচনা করেছি। আমার এসব কিছু একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলব।
কাদের বলেন, ভারতের রোলিং পার্টির আমন্ত্রণে আমরা ভারতে গিয়েছি। সেখানে পার্টি টু পার্টি আলোচনা হয়েছে। আমার সব ইস্যুর ওপর কথা বলেছি। সেগুলোর মধ্যে সীমান্ত চুক্তির জন্য আমার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করেছেন তারা। এই দুইজন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় ছিলেন বলে এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা আশা করি তিস্তা চুক্তিও হবে। আমাদের পানির জন্য যে হাহাকার আছে তা উপস্থাপন করেছি। এই চুক্তি হলে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমার দুই-একদিনের মধ্যেই একটি সংবাদ সম্মেলন করব। কারণ তথ্য যদি না দিই তাহলে এটা শুভ নয়। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। আমার কিছু গোপন করতে চাই না। সংবাদ সম্মেলনে আমরা সবকিছু প্রকাশ করব, যেন কোনো গুজব ছড়াতে না পারে।
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি তিন দিন দেশে ছিলাম না। না জেনে কিছু বলতে পারবো না। আর আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এই বিষয়ে কথা বলেছেন।
প্রতিনিধি দলকে বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ও কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম মিলন।

You Might Also Like