বৃহস্পতিবার নাবিলার বিয়ে

গত ডিসেম্বরে নাবিলা জানান, ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল, জোবাইদুল হকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন তিনি। পারিবারিক আয়োজনে পূর্ব নির্ধারিত তারিখে ‘কবুল’ বলতে যাচ্ছেন এই হবু দম্পতি। ইতোমধ্যে বিয়ের সব আয়োজনও শেষ হয়েছে বলে জানান নাবিলা।

আজ সোমবার নাবিলার গায়ে হলুদ। আগামী ২৬ এপ্রিল বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এসময় দুই পরিবারের সদস্যসহ আত্মীয়-স্বজন ও বর কনের কাছের বন্ধু-বান্ধবরা উপস্থিত থাকবেন।

ভক্তদের কাছে দোয়া চেয়ে নাবিলা বলেন, ‘তারকাদের বিয়ের সংবাদের পোস্টে যখন মানুষের নেতিবাচক মন্তব্য দেখি তখন খুব অবাক হই এবং প্রচন্ড দুঃখ পাই। খারাপ কিছু ঘটার আগেই যখন এমন মন্তব্য দেখি সত্যি সেটা খুব কষ্টদায়ক। এই মানসিকতা থেকে বের হতে পারলেই আমরা নিজেরা ভালো থাকব এবং অন্যদের জন্য মন থেকে দোয়া করতে পারব। আমি চাইব, সবাই যেন সবার জন্য মন থেকে দোয়া করেন, আমাদের জন্য তো বটেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ে একটা শুভ বিষয় এবং একটি ভালোর শুরু। কিন্তু তার আগেই কি খারাপ হতে পারে এমন মন্তব্য যখন কেউ করে, তখন যারা নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছে তারা অনেক কষ্ট পায়। দর্শকদের কাছ থেকে নিশ্চয়ই এরকম কিছু আশা করি না। অবশ্য অনেকেই ভালো ভালো উইশও করেছেন এবং যারা ভালো ভালো কথা বলেন নাই তারাও আমাদের দুজনের জন্য দোয়া করবেন।’

বিয়ের পরের দিনই বরের সঙ্গে ম্যানচেস্টারে যাবেন নাবিলা। তবে মধুচন্দ্রিমার জন্য নয়, বর জোবাইদুল হকের অফিসিয়াল কাজে তাকে সেখানে যেতে হবে। আর স্বামীর সঙ্গী হিসেবে নাবিলাও ম্যানচেস্টারের উদ্দেশ্যে উড়াল দিবেন।

নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হক পেশায় একজন ব্যাংকার। তার সঙ্গে পরিচয়ের বিষয়ে নাবিলা বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের জেদ্দায় পাশাপাশি থাকতাম। একই স্কুলে পড়াশোনা করেছি। ১৮ বছরের বেশি সময় হলো আমাদের পরিচয়ের। তখন থেকেই কথাবার্তা, ভালো লাগার বিষয়টি পরস্পরের মধ্যে তৈরি হয়। কিন্তু ওকে প্রথম কবে দেখেছিলাম তা আমার ঠিক মনে নেই। ২০০০ সালের দিকে আমরা দেশে চলে আসি। এরপর আমাদের যোগাযোগ ছিল না। আসলে তখন যোগাযোগের তেমন কোনো মাধ্যমও ছিল না। ২০০৭ সালের দিকে পুনরায় আমাদের যোগাযোগ হয়। কিন্তু তখন আমাদের প্রেম করার মতো অবস্থা ছিল না। তবে টুকটাক যোগাযোগ ছিল, কথাবার্তা হতো।’

You Might Also Like