ঘুষ গ্রহণকালে গ্রেপ্তার নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার

দুদকের অভিযানে গত ১২ এপ্রিল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সেগুন রেস্তোরাঁ থেকে নাজমুল হককে ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদকের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বাধীন একটি দল ওই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অংশ নেওয়া দলের অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, জাহাঙ্গীর আলম, রেজাউল করিম, মো. মাসুদুর রহমান, আবদুল বারী এবং উপ-সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান ও নাজমুস সাদাত।

গ্রেপ্তারের পরপরই রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এর সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে কারাগারে আছেন এস এম নাজমুল হক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, মেসার্স সৈয়দ শিপিং লাইনসের এমভি প্রিন্স অব সোহাগ নামীয় যাত্রীবাহী নৌযানের রিসিভ নকশা অনুমোদন এবং নতুন নৌযানের নামকরণের অনাপত্তিপত্র প্রদানের জন্য নাজমুল হকের কাছে গেলে তিনি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে অবহিত করেন। এরপর কমিশন সকল বিধি-বিধান অনুসরণ করে কমিশনের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারে নেতৃত্বে ফাঁদ মামলা পরিচালনার অনুমতি দেয়। এর অংশ হিসেবে ঘুষের টাকার কিস্তি বাবদ ৫ লাখ টাকা রাজধানীর সেগুন হোটেলে বসে যখন প্রধান প্রকৌশলী নাজমুল হক গ্রহণ করছিলেন, ঠিক তখনই ওত পেতে থাকা দুদকের বিশেষ দলের সদস্যরা তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
ঘুষ গ্রহণকালে গ্রেপ্তার হওয়া নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার (চলতি দায়িত্ব) এস এম নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে রোববার এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

You Might Also Like