মাদ্রিদকে দেওয়া পেনাল্টি বিতর্ক এখনও থামছে না

চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদকে দেওয়া পেনাল্টি বিতর্ক এখনও থামছে না। কেউ বলছেন ওটা পেনাল্টি ছিল, কেউ বলছেন ছিল না। কারো দাবি, রিয়াল মাদ্রিদ সব সময়ই চ্যাম্পিয়নস লিগে সুবিধা পেয়ে থাকে। আবার কারো দাবি, রিয়াল মাদ্রিদ সুবিধা পায় না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে গণমাধ্যম, কোনো কিছুতেই এ ঝড় থামছে না। প্রথম লেগে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ফিরতি লিগে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে সমান ৩টি গোল দেয় জুভেন্টাস। ম্যাচ ড্র হলে রিয়ালকে টপকে সেমিফাইনালে যেত জুভেন্টাস।
কিন্তু ম্যাচের শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি পায় রিয়াল। আর বিশ্বসেরা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো গোল করে রিয়ালকে সেমিফাইনালের টিকিট পাইয়ে দেন। বিতর্কের তৈরি হয় ম্যাচের শেষ সময়ে পাওয়া পেনাল্টিতে। লুকাস ভাসকেজকে মেদি বেনাশিয়া যে পেছন থেকে ধাক্কা মেরেছেন, তার সাক্ষী গোটা দুনিয়া। টিভি রিপ্লেতে তার স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু কেউ তা মানতে চাইছেন না।

এগিয়ে আসলেন ইতালির সিনিয়র ফুটবলার আন্দ্রেয়া পিরলো। তার দাবি, ওটা পেনাল্টি ছিল। পিছন থেকে ফাউলও করেছিলেন বেনাশিয়া। কিন্তু তার আপত্তি পেনাল্টি দেওয়ার সময়টা নিয়ে। এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পিরলো বলেন,‘ওটা কি পেনাল্টি ছিল? আমি মনে করি ছিল। মাদ্রিদকে পেনাল্টি দেওয়া ছিল যৌক্তিক। কিন্তু ওই সময়টাই মানে ম্যাচের ওই মুহূর্তে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত এড়িয়ে যেতে পারতেন রেফারি।’
পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর জুভেন্টাসের অধিনায়ক বুফন রেফারির দিকে তেড়ে যান। রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন। ফলে নিজের শেষ চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে লাল কার্ড হজম করতে হয় তাকে। বিষয়টি নিয়ে পিরলো বলেন,‘আমি বুফনের পরিস্থিতিটা বুঝতে পারছি। আমিও ওই সময়টাই উত্তেজিত হয়ে যেতাম। আগ্রাসনের কারণও আছে। কারণ ওই সময়টাই পেনাল্টির সিদ্ধান্তটা মেনে নেওয়া কষ্টকর ছিল। আর ওটা ছিল তার শেষ ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই তার উত্তেজনা অন্য সবার থেকে বেশি থাকবে।’

২০০২-০৩, ২০১৪-১৫ ও গত মৌসুম মিলিয়ে মোট তিনবার জুভেন্টাসের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলেছেন বুফন। খালি হাতে ফিরেছেন প্রতিবারই। এবারও ফিরলেন। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে আর ফিরবেন না তিনি।

You Might Also Like