মানুষের কারণেই নদী ভরাট হচ্ছে

নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন,‘‘মনুষ্য সৃষ্ট সমস্যার কারণে আজকে নদীসমূহ ভরাট হয়ে যাচ্ছে। দেশে নদী কমিশন গঠন করা হয়েছে। খাল ও নদীর নাব্যতা বজায় রাখা আমাদের অস্তিত্বের জন্য জরুরি।’’

তিনি বলেন, যে কোনো বিষয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাকে চিহ্নিত করা দরকার। খাল, জলাধার, নদী ভরাট বন্ধ করতে সরকার আপসহীন। নদী ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, পাউবো, এলজিইডিসহ বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয় থাকতে হবে। সচেতনতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের ভূমিকা রাখতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. আলাউদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যশোর পাউবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অখিল কুমার বিশ্বাস এবং অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সুবাস চন্দ্র সাহা। জাতীয় নদী কমিশনের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সেমিনারে জানানো হয়, ভবদহ এলাকায় মনিরামপুর, কেশবপুর, অভয়নগর উপজেলাধীন বিস্তীর্ণ এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানকল্পে ১৯৯৮ সাল থেকে বিভিন্ন বিলে পর্যায়ক্রমে টিআরএম (জলাবদ্ধতা দূরীকরণে জোয়ারাধার) চালু করার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিকরণ এবং পলি দ্বারা নিচু বিল উঁচুকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে ভায়না বিল, কেদারিয়া বিল, খুকশিয়ার বিলে টিআরএম চালুর মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা দূর করা হয়েছে।

কপোতাক্ষ নদের তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে টিআরএম চালুর মাধ্যমে কপোতাক্ষ অববাহিকায় ৭৫ হাজার হেক্টর জমির দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা দূর করা হয়েছে। আঠারোবাকি নদী পুনখনন পূর্বক স্থায়ী করার জন্য দুটি বিলে টিআরএম চালুর সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

You Might Also Like