ঢাকায় বিধ্বংসী কাইজু আর রোবটের লড়াই

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ও অ্যাকশননির্ভর সিনেমা ‘প্যাসিফিক রিম’-এর কথা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি দর্শক। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমাটি যেভাবে দর্শক মাতিয়েছিল তা বেশ ভালোভাবেই মনে থাকার কথা।

একদিকে অদ্ভুত দৈত্যাকার পশু কাইজু, অন্যদিকে মানুষ-নিয়ন্ত্রিত রোবট। সমুদ্রের নিচ থেকে উঠে আসা কাইজু আক্রমণ করে পৃথিবীকে, যার আঘাতে পৃথিবী ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। আর কাইজুকে মোকাবিলা করতে মানুষ আবিষ্কার করে জায়েগারস নামক মানুষ-নিয়ন্ত্রিত রোবট। এই রোবট নিয়ন্ত্রণ করে দুজন পাইলট, যারা একে অপরের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত থাকে। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রিঙ্কো কিকুচি, ইদ্রিস এলবা, বার্ন গুরমান, চার্লি ডে প্রমুখ। ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটের সিনেমাটি আয় করেছিল ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পাশাপাশি মন জয় করে সমালোচকদেরও।

এ সিনেমার সাফল্যের পরই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিয়েছিল সিরিজটির পরবর্তী সিনেমার। যার নাম দেয়া হয়েছিল ‘প্যাসিফিক রিম-টু’। পরিকল্পনা অনুযায়ী অনেকটা কাজও এগিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ থেমে যায় সব। পড়ে যায় লম্বা একটা বিরতি। পাঁচ বছরের বিরতির পর অবশেষে সিনেমাটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। যার নাম ‘প্যাসিফিক রিম আপরাইজিং’। নামের সাথে বদলে যায় পরিচালক এবং অভিনয়শিল্পী। গিয়ের্মো দেল তোরোর পরিবর্তে এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন স্টিভেন এস. ডিনাইট। আর অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন জন বোয়েগা, স্কট ইস্টউড, জিং তায়ান, রিঙ্কো কিকুচি, চার্লি ডে প্রমুখ। আগামীকাল শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। একই দিনে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ‘প্যাসিফিক রিম আপরাইজিং’।

এ সিনেমাটির গল্পও এগিয়েছে আগের সিনেমার পথ ধরেই। বিধ্বংসী কাইজুরা আবারো পৃথিবীতে ফিরে আসার পথ খুঁজে পাবে এবং জায়েগার পাইলটদের আরো একবার তাদের সঙ্গে লড়াই করতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সিনেমাটির সাফল্য নিয়েও আশাবাদী সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। কারণ এতে আরো অনেক নতুনত্ব দেখা যাবে। চরিত্রগুলো উঠে আসবে আরো শক্তিশালীরূপে। এ ছাড়া অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দর্শককে আকৃষ্ট করবে বলে মনে করেন পরিচালক। সব মিলিয়ে সাফল্যের দিক থেকে এটি প্রথম সিনেমাকে ছাড়িয়ে যাবে বলেই ধারণা করছেন এর নির্মাতা।

You Might Also Like