জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস পাবেন খালেদা: আশা মওদুদের

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় দিনের মতো যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিকেল পৌনে চারটার দিকে এই যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান। যুক্তি-তর্ক শুনানিতে আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, এই মামলার সঙ্গে খালেদা জিয়ার কোনোরকম সংশ্লিষ্টতা নেই। কোনো সাক্ষ্য–প্রমাণ দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি দুদক।

আদালতের কার্যক্রম শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা আশা করছেন, এ মামলায় খালাস পাবেন খালেদা জিয়া। এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। তাঁকে হয়রানির জন্য এ মামলা করা হয়েছে। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন—এটা দুদকের ৩২ জন সাক্ষীর একজনও আদালতে বলেননি
অপরদিকে, আদালতের কার্যক্রম শেষে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন, এই মামলায় দুদক সাক্ষ্য–প্রমাণ দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তাঁরা আদালতে খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছেন।

এর আগে বেলা ১১টা ২৪ মিনিটে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। বিকেল চারটার দিকে আদালতের কার্যক্রম শেষে এজলাস ত্যাগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ অভিযোগ গঠন করে খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে সহ অভিযুক্ত ছয় জনের বিচার শুরু করেন।

You Might Also Like