পর্তুগাল ও স্পেনে দাবানলে ৩০ জনের মৃত্যু

পর্তুগালের উত্তরাঞ্চল ও স্পেনে দাবানালে কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

পর্তুগালের জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার রাতে ও সোমবার ভোরে মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে দাবানলে ২৭ জন মারা গেছে। আর স্পেনে মারা গেছে তিনজন।

বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র প্যাট্রিসিয়া গ্যাসপার রোববার তাজো নদীর উত্তরাঞ্চলের দাবানলকে ‘বছরের সবচেয়ে খারাপ দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন। সরকার ওই অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

দাবানালের পাঁচ শতাধিক ধারার আগুন নেভাতে অগ্নিনির্বাপন বাহিনীর ৬ হাজারের বেশি কর্ম রোববার থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্তুগাল ইউরোপীয় অংশীদার ও মরক্কোর সহযোগিতা চেয়েছে। গত ১০ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আইবেরিয়ান উপকূল ছুঁয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় অফেলিয়ার কারণে উত্তর পর্তুগালে বাতাসের তীব্রতা এমনিতেই বেশি। ওই বাতাসের কারণে আগুন আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সোমবার গালিসিয়া এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

আঞ্চলিক সরকারের প্রধান আলবার্তো নুনেজ ফেইজু জানিয়েছেন, দাবানলের ১৫টি মুখের কারণে শহর ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রতিবছর গালিসিয়ায় বনাঞ্চলের ৯০ শতাংশ অগ্নিকাণ্ড ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুয়ান ইগনাসিও জোইদো জানিয়েছেন, এই দাবানলের পেছনে জড়িতদের কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

You Might Also Like