খুলনায় সোমবার থেকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি

খুলনায় সোমবার থেকে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে। নগরীর ২০টি স্থানে ২০জন ডিলারের মাধ্যমে চাল বিক্রি হবে।

আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ।

একজন সাধারণ ক্রেতা পাঁচ কেজি করে চাল নিতে পারবেন। চাল বিক্রি হবে ৩০ টাকা কেজি দরে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন ওএমএসের চাল বিক্রি শুরু হলে বাজারে চালের দাম কমে যাবে।

নগরীর চাল বিক্রির পয়েন্টগুলো হচ্ছে- নতুন বাজার রূপসা বেড়িবাঁধ, ২ নম্বর প্লাটিনাম রোড, জনতা হল ফুলবাড়িগেট বাজার, খোঁড়া বস্তি, মিনাক্ষী সিনেমা হলের পাশে, চানমারি বাজার, চিত্রালী বাজার, আফিল জুট মিল বাজার, বসুপাড়া বাজার, নতুন বাজার, মিস্ত্রী পাড়া, মুজগুন্নি স্ট্যান্ডের মোড়, রায়ের মহল আছরের মোড়, কালীবাড়ি বাজার, শরীফ মোল্লার মোড়, বৈকালী বাজার, সঙ্গীতার মোড়, কুদির বটতলা, লবণচরা স্লুইডগেট সংলগ্ন মোক্তার সড়ক এবং মানসী বিল্ডিং মোড়।

নগরীর শেখপাড়া মেইন রোডের বাসিন্দা রিকশা চালক বাবুল মিয়া বলেন, খোলা বাজারে চাল বিক্রি হলে গরিব মানুষের উপকার হবে।

খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামাল হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক রোববার থেকে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ডিলাররা ব্যাংকে চালান জমা দিতে না পারায় চাল তুলতে পারেননি। তবে সোমবার থেকে বিক্রি শুরু হবে। তিনি জানান, খুলনায় সাত হাজার মেট্রিক টন চালের মজুদ রয়েছে। এ চাল দিয়ে আগামী একমাস খুলনায় ভালোভাবেই ওএমএস কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যাবে।

তিনি জানান, খুলনা জেলায় ৭২ জন ডিলার খোলা বাজারে চাল বিক্রি করবেন। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে সোমবার থেকে নগরীর ২০টি স্থানে ২০জন ডিলার চাল বিক্রি করবেন। এক একজন ডিলার এক টন চাল বিক্রি করতে পারবেন।

খুলনা ওএমএস ডিলার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, গত দুই দিন ছুটি থাকার কারণে ডিলাররা টাকা জমা দিতে পারেননি ব্যাংকে। রোববার চালান জমা দেওয়া হয়েছে, সোমবার থেকে বাজারে চাল বিক্রি করা হবে।

গত বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে খুলনায় ওএমএস’র চাল বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।

You Might Also Like