বাংলাদেশের ৩ জেলায় পৃথক হত্যা মামলায় ৬ জনের ফাঁসি

নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইলে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

আজ (সোমবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা আকতারের আদালত এ আদেশ দেয়।

বাদীপক্ষ এ রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি করেছে। তবে, আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেছেন, ‘রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে বাবুরাইল এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে একই পরিবারের পাঁচজন- মামী তাসলিমা আক্তার (৪০), তাঁর ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), তাসলিমার ভাই মোরশেদুল (২৫) ও তাঁর জা লামিয়া (২৫)-কে নৃশংসভাবে হত্যা করে ভাগনে মাহফুজ। পরদিন মাহফুজকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাহফুজ পরে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওদিকে, ঢাকার দোহারে বৃদ্ধা আয়েশা বেগমকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

আজ (সোমবার) দুপুরে ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারিক এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দোহার থানার সূতারপাড়া গ্রামে আসামিরা পূর্বপরিকপ্লিতভাবে ৭০ বছর বয়সী আয়েশা বেগমকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তার গলায় পরিহিত সোনার গহনা ও কানের দুল নিয়ে তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন। এরপর ঘটনাস্থল থেকে দুই-তিন কিলোমিটার দূরে বৃদ্ধার মরদেহ পাওয়া যায়।

তাছাড়া, নাটোরে খান জাহান নামের সাত বছরের এক শিশুকে হত্যার দায়ে তার দুলাভাই হেলালকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আজ দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক বনিবনা না হওয়ায় আগমুরশন গ্রামের তালেব আলীর মেয়ে রোকেয়া খাতুন তাঁর স্বামী হেলালের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন। এই আক্রোশে ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি দুপুরে হেলালসহ অন্য আসামিরা রেআকেয়ার ছেআট ভাই খান জাহানকে অপহরণ করে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। একপর্যায়ে হেলালের বাড়ি থেকে খান জাহানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে. গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে সক্রিয় ব্লগার ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয়কে হত্যার দুই বছরেও বিচার না পেয়ে তার বন্ধু সাজ্জাদ সাজু আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন করেছেন।

সোমবার সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পোস্টার-ব্যানার নিয়ে দিনব্যাপী অনশনের লক্ষ্যে বসলেও পুলিশের বাধায় আড়াই ঘণ্টা পর বেলা ১১টার দিকে সেসব গুটিয়ে চলে চান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট পূর্ব গোড়ান এলাকায় একটি ভবনের পঞ্চমতলায় নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

You Might Also Like