আমিরের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে স্বস্তি : সুপার

বন্দুকযুদ্ধে নিহত আমির ওরফে ল্যাংড়া আমিরের ভয়ে আতঙ্কিত ছিল কেরানীগঞ্জবাসী। তবে তার মৃত্যুর মধ্যদিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মিজান শাফিউর রহমান।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এসপি বলেন, ‘আমিরের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণসহ ১৪টি মামলা ছিল। এছাড়াও সারাদেশে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে। ২২ মার্চ চিকিৎসক দম্পতি আবু নোমান ও শাহানা নোমান রিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে কেরানীগঞ্জের র‌্যাব অফিসের কাছাকাছি পৌঁছলে আমির ও তার সহযোগীরা রিকশা থামিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ২৩ তারিখের মধ্যে চাঁদা না দিলে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলে। ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর আমির ও তার সহযোগীরা মুক্তিপণের লক্ষ্যে শুভাঢ্যা এলাকার শিশু পরাগ মন্ডলকে অপহরণ করে। এ সময় পরাগের মা, বোন ও তাদের গাড়ির চালককে গুলি করে আহত করে। আর এসব করে মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয় আমির ও তার সহযোগীরা। তবে কেরানীগঞ্জের মানুষ ভয়ে এসবের প্রতিবাদ করতে পারত না। এখন তারা হাফ ছেড়ে বাঁচবে। আর আমিরের সহযোগীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সোমবার রাতে বাগেরহাটের শরণখোলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বাগেরহাট থেকে তাকে ঢাকায় আনা হয়। তাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জের পুলিশের টিম ওই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে আমিরকে ছিনিয়ে নিতে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। পুলিশও এ সময় পাল্টা গুলি ছুঁড়লে দুপক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় আমিরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক আমিরকে মৃত ঘোষণা করেন।’

You Might Also Like