সংলাপ : শুভ উদ্যোগ নিন

লেখা যেদিন ছাপা হচ্ছে সেদিন অবরোধের ৩৭তম দিন চলছে। দৈনিক পত্রিকাসমূহের খবর অনুযায়ী রবিবার পর্যন্ত মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছে ৮৫ জন। মাঝে দুই দিন গেল তার প্রথম দিনে অন্তত দুজন

সংলাপ ডাকলে আপনি হারবেন না

এক সপ্তাহ একদিন পার হলো বেগম জিয়ার ডাকা অবরোধের। ১২ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি বলেছেন, অবরোধের কারণে এক পোশাক খাতেই প্রতিদিন লোকশানের পরিমাণ সাড়ে

গায়ের জোরে নয়

এক. সকালবেলা ঘর থেকে বেরিয়ে ছিলাম। সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের সালাহউদ্দিন রাজ্জাক ফোন করল আজ আমার বাংলাদেশ প্রতিদিনের জন্য উপ-সম্পাদকীয় লেখার কথা। আগামীকাল বুধবার তা ছাপা হবে। তাড়াতাড়ি করে বের

রাজনীতিতে অশনি সংকেত

দেড় বছর আগে নাগরিক ঐক্যের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যে পোস্টার ছাড়া হয়েছিল তার মূল বক্তব্য ছিল ‘দুই নেত্রীর হাতে দেশ নিরাপদ নয়’। দেশের মানুষের মধ্যে বেশ সাড়া পড়েছিল তাতে। আওয়ামী লীগে

দেশটা কি একটা পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে গেল!

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৮ নভেম্বর বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে। পুলিশ সে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি। বিএনপি নেতারা বলেছেন, দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা ধরে

দেশ ও জনতার সেবার ব্রত রাজনীতি

অক্টোবর মাসে তৃতীয় সপ্তাহে মিলি আমাকে ফোন করল। মিলি ঢাকা ইন্ট. ইউনিভার্সিটির ইংরেজির শিক্ষক। বলল, তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে একটা বক্তৃতামালা হচ্ছে। সে বিষয়টিতে রাজনীতিকে নির্বাচন করেছে। অর্থাৎ শেষ বক্তৃতাটির

হে তরুণ তিষ্ঠ ক্ষণকাল

গত বুধবার পিয়াস করিমের উপরে আমার লেখা প্রকাশিত হওয়ার পর দুটি প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম। একটি সরাসরি আমার ফেসবুকে। অপরটি বিদেশ থেকে এক তরুণ লিখেছেন তার পরিচিতজনের কাছে। তারা দুজন মনে করেন

তাজউদ্দীন কন্যাদের লেখালেখি

সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের কন্যা সভেতলানা অ্যালুলিয়েভা ‘টোয়েন্টি লেটারস টু আ ফ্রেন্ড’ নামে একটা বই লিখেছিলেন। মূলত তার বন্ধুদের কাছে লেখা ২০টি চিঠি নিয়ে এই গ্রন্থটি সংকলিত হয়েছিল। বইটি

পিয়াসের মৃত্যু ও আমার কষ্ট

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় আসিফ নজরুল ফোন করলেন। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। আসিফ বললেন, মান্না ভাই আমি এখন পিয়াস করিম স্যারের বাসায়। ভাবী আমার সামনে। আজ একেবারে ভোরে

নীরব উপেক্ষা নিয়ে প্রস্থান

৯ অক্টোবর দুপুর ১২টায় আমি যখন শহীদ মিনার চত্বরে পৌঁছলাম, তখন আবদুল মতিনের লাশ সেখানে আনা হয়েছে। শহীদ মিনার চত্বর তখন কানায় কানায় পরিপূর্ণ। আবদুল মতিন যখন অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে