কক্সবাজারে ৩ এসআইসহ ৭ পুলিশ প্রত্যাহার

কক্সবাজার সদর থানায় ছাত্রলীগের হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনায় সদর থানার তিন উপপরিদর্শক (এসআই) ও ৪ কনেস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও ১০ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার আজাদ মিয়া জানান, শুক্রবার ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘটিত ঘটনায় পুলিশের পক্ষে গুলিবর্ষণের কোনো প্রকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতি ছাড়া গুলিবর্ষণের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দায়ী এ ১৪ জনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, প্রত্যাহার হওয়া তিন এসআই হলেন- মোস্তফা কামাল, তাজুল ইসলাম ও আল আমিন। প্রত্যাহার হওয়া কনস্টেবলের নাম সাজ্জাদুল ইসলাম। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই’র নাম উত্তম কুমার দে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবলরা হলেন- সুজন কান্তি নাথ, শামিমুল এহসান, নুরুল আলম, আবুল কামাল আজাদ, আবদুর রউফ, রাসেল ভুঁইয়া, হাসান শরীফ, সালাউদ্দিন মোল্লা, মিথুন দাশ ও কামরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে কক্সবাজার শহরের লালদিঘীর পাড় এলাকায় কক্সবাজার শহর ছাত্রলীগের হিমুকে অবৈধ মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনার জের ধরে ছাত্রলীগকর্মীরা কক্সবাজার সদর থানা, ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়, পুলিশের ব্যারাকে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।

এ সময় কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, এবি সিদ্দিক খোকন, পুলিশ কনস্টেবল দিলু অং মামরাসহ ৫ জন আহত হন।

এ ঘটনায় শনিবার দুপুর একটা থেকে শুরু হওয়া প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সভায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হোসেনকে দায়িত্ব দিয়ে এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।