হিমঘরে কথা বললো ‘লাশ’

আধুনিক রূপকথায় অনেক গল্প শুনেছি হিমঘর কিংবা লাশঘর নিয়ে। সবচেয়ে আধুনিক গল্পটা হলো- এক গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি মারে তার স্বামী। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। নিয়মানুযায়ী তাকে পাঠানো হয় লাশঘরে ময়না তদন্তের জন্যে। যথারীতি ডোম এসে সেই নারীর ময়না তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেয়। বুকে ছুরি বসানোর আগ মুহূর্তেই চলে যায় বিদ্যুৎ। রেখে দেয়া হয় কাজ।

পরদিন সকালে ডোম এসে দেখেন ওই নারী অনেকগুলো লাশের পাশে বসে আছেন। কোলে তার ছোট শিশু!

পোল্যান্ডে ঘটেছে এমনই এক বিস্ময়কর ঘটনা। মৃত ভেবে ৯১ বছর বয়সী নারী জেনিনা কলভিয়েজ রাখা হয় মর্গের হিমঘরে। দুই দিন পর তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু মাত্র ১১ ঘণ্টা যেতেই মর্গে নড়ে ওঠেন তিনি। ‘এতো ঠাণ্ডা লাগছে কেন?’ বললেন তিনি। বিবিসির খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, জেনিনা কলভিয়েজ অসুস্থ বোধ করলে তার পারিবারিক চিকিৎসক নাড়ি পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুইদিন পর তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে তাই মৃতদেহ মর্গের হিমঘরে রাখা হয়। কিন্তু ১১ ঘণ্টা পর তিনি নড়ে উঠলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নেয়া হয় নিজ বাড়িতে। গরম পানিতে গোসল সেরে ফুরফুরে কলভিয়েজ জানান, তিনি এখন বেশ ভালো বোধ করছেন। এদিক মর্গের কর্মীরা এ দৃশ্য দেখে অবাক।

You Might Also Like