‘হরতালে বাধা দেয়ার পরিণাম হবে ভয়াবহ’

আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ডাকা হরতালে কোন প্রকার বাধা দেয়া হলে পরিণাম ভয়াবহ হবে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সম্মিলিত ইসলামি দল সমূহের নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, নিছক ঈমান ও দ্বীন রক্ষার তাগিদেই আমাদের রোববারের হরতাল। আমরা সরকারকে কয়েক দফা সময় বেধে দেয়ার পরও সরকার স্ব-ঘোষিত ধর্মদ্রোহী, মুরতাদ লতিফের বিরুদ্ধে কোন মামলা করেনি, তাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে কোন কার্যকরী পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি।

প্রিয় নবী (সা), পবিত্র হজ্জ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে তার কটূক্তি, ধৃষ্টতা ও চরম বেয়াদবীর সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে নাস্তিক-মুরতাদদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাবে। ইসলামের দুশমন, মুরতাদ গোষ্ঠীকে যাতে আস্কারা ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা না হয় সে ব্যাপারে হুঁশিয়ারি করতেই রোববারের ইসলামি দল সমূহের হরতালে সকল ঈমানদার মুসলমানকে সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকার আহবান জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ বলেন; আমরা আশা করি আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতসহ সকল রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের যারা আল্লাহ, মহানবী (সা), হজ্জ ও ইসলামে বিশ্বাস করেন সকলেই এ ঈমানী হরতালে সমর্থন দেবেন এবং সক্রিয় অংশ গ্রহণ করবেন। সরকার আসে, সরকার যায় ইসলামের দুশমনদের পক্ষ নিয়ে কেউ পার পাবে না।

এ দিকে হরতালের সমর্থনে শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মিছিল ও সমাবেশ করেছে ইসলামি দল সমূহের নেতাকর্মীরা।

লালবাগে মাওলানা জাফরুল্লাহ খানের নেতৃত্বে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কামরাঙ্গীরচরে মিছিলে নেতৃত্ব দেন মুফতি ফখরুল ইসলাম ও মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, যাত্রাবাড়ীর মিছিলে নেতৃত্ব দেন, ছার্ছিনার পীর মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী ও মুফতি মিজানুর রহমান, রামপুরায় মাওলানা আবদুস সবুর মাতুব্বর, গুলশানে ডা. মুফতি আবদুল কাউয়ূম আজহারী ও মাওলানা সালেহ সিদ্দিকী, উত্তরায় মাওলানা কামরুল হাসান ও মুফতি জোবায়ের, মতিঝিলে মুহাদ্দিস শাহ আলম, পল্টনের মিছিলে নেতৃত্বদেন মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, মোহাম্মাদপুরে মিছিলের নেতৃত্ব দেন মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এবং সাভার বাসস্ট্যান্ড থেকে মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানীর নেতৃত্বে মিছিল বের হয়। ধানমন্ডিতে মিছিলে নেতৃত্বদেন মুফতি মাসুদুর রহমানের প্রমুখ।

হরতালের আওতামুক্ত: এম্বুলেন্স, ঔষধের দোকান, লাশবাহী গাড়ি ও ফায়ার সার্ভিস হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলেও তারা বিবৃতিতে জানিয়েছে।

You Might Also Like