হজে গিয়ে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

জেলার মহম্মদপুরের বিনোদপুর ইউপির চাপাতলা গ্রামে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী।

ঘটনার ছয়দিন পর শনিবার রাতে (২৯ আগস্ট) মামলা হওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। পুলিশ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

ধর্ষণের আলামত নষ্ট ও সালিশের নামে মধ্যস্ততা করে সময়ক্ষেপণের অভিযোগে নূরুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও ধর্ষিতার পরিবার জানায়, ২৩ আগস্ট রাত পৌনে আটটার দিকে চাপাতলা গ্রাম থেকে পাশের কানুটিয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরছিল মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরী। এসময় নাজিম (১৮) নামের এক যুবক ওই কিশোরীকে জোর করে সড়কের পাশে কাঠাল বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে অপেক্ষা করছিল আরো তিনজন। চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে যায় তারা। অভিযুক্ত বাকি তিন ধর্ষক হচ্ছেন, আকতার মিয়া (৪০), জসীম উদ্দিন (৩৫) ও মফিজ মিয়া (৪০)। এদের চারজনেরই বাড়ি চাপাতলা গ্রামে।

ঘটনার রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন কিশোরীকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে গোপনে চলে চিকিৎসা।

বিষয়টি জানাজানি হলে কানুটিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সালিশের মাধ্যমে এর মীমাংসা করে দেওয়া হবে বলে মেয়েটির পরিবারকে জানান। সালিশের নামে তিনি ধর্ষণের আলামত নষ্ট করতে সময়ক্ষেপণ করেছেন বলে ধর্ষিতার পরিবারের অভিযোগ। এক পর্যায়ে ধর্ষিতার পরিবারকে দুই হাজার টাকা দিয়ে মামলা না করার জন্য ভয়ভীতি দেখান বলে তারা জানান।
পুলিশ বিষয়টি জানার পর শনিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠায়। রাতে সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক শামছুন্নাহার লাইজুর তত্ত্বাবধানে চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে।

শনিবার রাতে প্রতিবন্ধী কিশোরীর এক স্বজন বাদী হয়ে চারজনকে অভিযুক্ত করে মহম্মদপুর থানায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। ধর্র্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া ও আলামত নষ্টের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা নূরুল ইসলামকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত চার ধষকের কাউকেই এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা যায়নি।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) শেখ আতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনায় মালা হয়েছে। একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

You Might Also Like