স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় ১৪ ডিবি কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

গত ২০ মার্চ রাজধানীর রামপুরা থানা পুলিশ কর্তৃক স্বর্ণ আত্মসাৎকে কেন্দ্র করে ডিবিতে স্থানান্তরিত মামলার ঘটনায় ১৪ ডিবি কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।

মামলার তদন্তকারী দুদক কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় জানান, দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ জিজ্ঞাসাবাদ চলবে। গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনিসুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নজরুল ইসলামসহ মোট ১৪ ডিবি কর্মকর্তাকে এ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৩ মার্চ স্বর্ণ পাচারকারীদের একটি চক্র একটি প্রাইভেটকারে করে বনশ্রী এলাকা থেকে তাঁতীবাজার এলাকায় স্বর্ণ পাচারের সময় রামপুরা থানা পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। এ সময় চক্রে সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি থানায় নিয়ে রাখা হলে ১৬ মার্চ পাচারকারীদের ২ সদস্য সমীর ও মুহিন স্বর্ণসহ গাড়িটি অবৈধ উপায়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য থানা পুলিশের দ্বারস্থ হয়। পরে থানা পুলিশের একটি দল গাড়ি থেকে ৭০টি সোনার বার রয়েছে এমন অভিযোগে চক্রের ২ জনকে মামলার পরে গ্রেফতার করে।

পরে উপস্থিত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপিস্থিতিতে চক্রের সদস্যরা জানায়, গাড়িটিতে মোট ২৩৫টি সোনার বার ছিল। অথচ পুলিশের হেফাজতে গাড়িটি থাকলেও এ ঘটনায় গাড়ির সিটের নিচ থেকে ১৬৫টি সোনার বার উধাও হয়ে যায়। পরে মামলাটি ২০ মার্চ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) নিকট হস্তান্তর হয়। এ মামলার তদন্ত কর্মককর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয় ডিবির উপ-পরিদর্শক মো. মাসুদ মিয়াকে। এরপর থেকে ডিবি পুলিশ তদন্তের কাজে নেমে ৩১ মার্চ রামপুরা থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম, কন্সটেবল ওয়াহেদুল ও আকাশ চৌধুরী এবং পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত রনি ও সজিব শিকদারকে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এবং বগুড়া থেকে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের বারসহ গ্রেফতার করে।

You Might Also Like