স্কটল্যান্ডে ফের গণভোট

স্কটিসরা আগামী দুই বছরের মধ্যে ভোটাভুটিতে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিবে। ব্রেক্সিট প্রশ্নে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় স্কটিসরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে মনে করছেন সে দেশের প্রাক্তন ফার্স্ট মিনিস্টার অ্যালেক্স স্যালমন্ড।

স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করা হয়। সে সময় প্রস্তাবের পক্ষে পড়ে ৪৫ শতাংশ ভোট। বিপক্ষে পড়ে ৫৫ শতাংশ। কিন্তু বর্তমান স্কটিশ নেতা নিকোলা স্টারজিওন বলছেন, সম্ভবত স্কটিশরা এখন স্বাধীনতার পক্ষেই ভোট দিবেন। গত জুনে স্কটিশরা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থেকে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ায় তিনি এমনটা ধারণা করছেন। আর যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে আগেই।

যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে স্কটল্যান্ডের বর্তমান অবস্থান জানিয়ে স্টারজিওন বেশ কয়েকবার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার সিদ্ধান্তে অনড়ই থেকে যান।

‘যুক্তরাজ্য সরকার যদি স্টারজিওয়নের আপোষ-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলে তাহলে আবারো স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট অচিরেই উত্থাপন করা হবে’, বলেন স্যালমন্ড। ২০১৪ সালের গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন স্যালমন্ড।

তিনি আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে জনগণের মানসিকতা অনেকখানি পাল্টে গেছে। আগামী দুই বছরে আরো পাল্টাবে। আমার মনে হয়, এবার স্বাধীনতার পক্ষের লোকজনই জয়ী হবে।

এ সপ্তাহের প্রথমদিক থেরেসা মে বলেন, তারা যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করবে তখন তারা অভিবাসীদের সংখ্যা সীমিত করার পাশাপাশি সিঙ্গেল মার্কেট ত্যাগ করবে।

এই মুহূর্তে জনমত যাচাইয়ে দেখা যাচ্ছে যে, ২০১৪ সালের ভোটাভুটির সময় স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে যেমন সমর্থন ছিল তার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তাই মনে করা হচ্ছে, আরেকটি গণভোট হলে সেটাতেও হেরে যেতে পারে স্বাধীনতার সমর্থকরা।

You Might Also Like