সিরিয়ায় নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠা নিয়ে জার্মানির সংশয়

সিরিয়ায় নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠা নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “সিরিয়ার ওপর আমরা নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠা করতে পারব কিনা তা নিয়ে চলমান অবস্থায় আমি সন্দিহান।”

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের সঙ্গে বৈঠকের পর মারকেল এ কথা বলেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চলমান বাস্তবতায় সিরিয়ায় সহিংসতা বন্ধের একমাত্র পথ হচ্ছে আলোচনা। রুশ কর্তৃপক্ষ ও সিরিয়ার সরকারকে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক ত্রাণ বিতরণের জন্য অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মারকেলের এ বক্তব্য সরাসরি জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ওয়াল্টার স্টেইনমেয়ারের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আলেপ্পোর কাছে জাতিসংঘ ত্রাণবহরে হামলার পর স্টেইনমেয়ার বলেছেন, সিরিয়ায় অন্তত সাতদিনের জন্য নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ বক্তব্যের জবাবে গত বৃহস্পতিবার রুশ উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, তার দেশ সিরিয়ায় নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী। তিনি বলেছেন, সিরিয়ার জন্য এমন পদক্ষেপ নিতে হবে যা থেকে শুধুমাত্র সন্ত্রাসীরা বাদে সবাই লাভবান হবে। একইদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানিও সিরিয়ায় নো ফ্লাই জোন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সিরিয়ার পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলবে। পাশাপাশি বিদেশি মদদপুষ্ট উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য এ পদক্ষেপ সুবিধা বয়ে আনবে; তারা আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।#

পার্সটুডে

You Might Also Like