সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

সিরিয়ায় প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চল থেকে নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ার থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে চলতি সপ্তাহ রাসায়নিক হামলায় প্রায় ১০০ লোক নিহত হয়। এদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। বিদ্রোহীদের দাবি, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী এ হামলা চালিয়েছে। তবে আসাদ সরকার ও মিত্র রাশিয়ার দাবি, বিদ্রোহীদের রাসায়নিক অস্ত্রের গুদাম ধ্বংসে হামলা চালানোয় এ ঘটনা ঘটেছে। সিরিয়া সরকার কোনো রাসায়নিক হামলা চালায় নি। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ায় এই রাসায়নিক হামলার জের ধরে সেখানে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন বলে কংগ্রেস সদস্যদের জানিয়েছিলেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের গুদামগুলোতে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর কয়েকটি পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

হামলার পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থের জন্য’ এই হামলা চালানো হয়েছে। সিরিয়ায় ‘হত্যা ও রক্তপাত’ বন্ধে ‘সভ্য জাতিগুলোকে’ এই লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সিরিয়ার হোমস শহরের বিমান ঘাঁটিসহ সরকারের বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ৫০টি টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ার থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে।

এদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে এই হামলাকে মার্কিন আগ্রাসন হিসেবে মন্তব্য করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর ওপর বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর মাধ্যমে মার্কিন আগ্রাসনের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হয়েছে।’

You Might Also Like