হোম » সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে: খালেদা জিয়া

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে: খালেদা জিয়া

ঢাকা অফিস- Monday, September 25th, 2017

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন,”বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। যেকোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বিএনপি এ দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ (সোমবার) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “আমরা সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এটিই হোক আমাদের বড় পরিচয়।”

খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকারের (আওয়ামী লীগ) আমলে সাম্প্রদায়িক উসকানি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দেবালয়ে আক্রমণ ও ভাঙচুর সংঘটিত হচ্ছে। এবারের দুর্গাপূজার প্রাক্কালেও দেশের বেশ কিছু স্থানে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে আক্রমণ করা হয়েছে।

এসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে সব অশুভ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও নিন্দা জানান বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, নির্যাতন-নিপীড়ন ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মধ্য দিয়ে যারা সমাজকে, মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে চায়; প্রতিষ্ঠিত করতে চায় দুঃশাসন তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠা এই উপাসনার মূল লক্ষ্য। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সবাই মিলে ভাগ করে নিতে হবে।

পৃথক এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে জানান আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি তাদের অব্যাহত সুখ-শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।

ওদিকে, দেশের নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া সাক্ষাৎকার শুনে দেশের মানুষ বিস্ময়ে বাক্যহারা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।

দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ সোমবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ কথা বলেন।

বিএনপির লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে দেশবাসী বিস্ময়ে বাক্যহারা। আসলে শেখ হাসিনার সংজ্ঞানুযায়ী গণতন্ত্র বলতে বুঝতে হবে সব দলের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দিয়ে একক কর্তৃত্বে একমাত্র দল দেশ চালাবে, ভিন্নমত থাকবে না, গণমাধ্যম সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে থাকবে, নির্বাচনের অর্থ হবে ভোটকেন্দ্র ভোটারবিহীন শ্মশানভূমি, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিহীন নির্বাচন। এই সংজ্ঞার সঙ্গে একমতধারীরা প্রকৃত জনগণ বলে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন। সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণ করাদের তিনি জনগণের অংশ বলে মনে করেন না।

সর্বশেষ সংবাদ