রানা প্লাজার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৪ ডিসেম্বর

সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় হত্যা ও ইমারত নির্মাণ আইনে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ২৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আফরোজা শিউলী বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন।

এ দিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার বিজয়কৃষ্ণ কর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত এ দিন ধার্য করে।

রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় গত বছরের ২৫ এপ্রিল সাভার থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। একটি হলো অবহেলাজনিত মৃত্যু চিহ্নিত করে পুলিশের হত্যা মামলা। অপরটি হলো ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের ইমারত আইনে দায়ের করা মামলা।

গত বছর ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সাভার থানার এসআই ওয়ালী আশরাফ ১১৩৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভবন মালিক মো. সোহেল রানাসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে একটি অবহেলাজনিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে আব্দুল খালেক ওরফে খালেক কুলু, মোহাম্মদ আলী খান, রেফাত উল্লাহ, আবুল হাসান, অনিল কুমার দাস, শাহ আলম মিঠু, এমায়েত হোসেন, রাকিবুল ইসলাম ও আলম মিয়া জামিনে রয়েছেন। এ ছাড়া বজলুল সামাদ আদনান, মাহমুদুর রহমান, সোহেল রানা, আমিনুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক খান, আলমগীর, রাসেল মধু ও সরোয়ার কারাগারে রয়েছেন।

একই দিনে ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন ১৩ জনকে আসামি করে সাভার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামিদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী খান, এমায়েত হোসেন, আবদুল খালেক, রেফাত উল্লাহ, বজলুল সামাদ আদনান, মাহমুদুর রহমান জামিনে রয়েছেন। এ ছাড়া সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, রফিকুল ইসলাম ও সরোয়ার কামাল কারাগারে আটক রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজা। এ সময় ভবনের নিচে চাপা পড়েন সাড়ে ৫ হাজার পোশাকশ্রমিক। এ ঘটনায় ১১৩৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

You Might Also Like