যে কারণে বেশি বয়সে বিয়ে করা উচিত!

বিয়ের সময় বরের জুতা চুরি একটা নৈমিত্তিক ঘটনা। কনেপক্ষের ছোট বাচ্চারা বরের পকেট খসানোর জন্য এ ধরনের চুরির কাজ করে থাকে। আপনি যদি বেশি বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন, তাহলে এই শ্রেণীর চোরের হাত থেকে সহজেই মুক্তি পেয়ে যাবেন। কারণ আপনার বয়স বেশি হওয়ায় ছোট বাচ্চারা আপনাকে দাদু ভেবে ভুল করে পাশের জনের জুতা নিয়ে যাবে!

ষবিয়ের পর বরের দুষ্টু শ্রেণীর বন্ধুরা সুন্দরী ভাবির সঙ্গে ফাও আলাপ জুড়ে দিতে উঠেপড়ে লাগে। বলাই বাহুল্য, সদ্য পাওয়া বউকে বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতে দেখলে বরের হৃদয় জ্বলে-পুড়ে যায়। এখন আপনি যেহেতু বেশি বয়সে বিয়ে করছেন তখন স্বাভাবিকভাবেই বন্ধুরাও আপনার মতোই বুড়াদের দলের। আর বুড়াদের যাই থাকুক না কেন, নতুন কনের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করার ইচ্ছা থাকার কথা নয়।

ষবেশি বয়সে বিয়ে করলে আপনি বয়সের ভারে ঘন ঘন অসুস্থ হবেন। এতে আপনারই লাভ। আরে মশাই, বউয়ের সেবা-শুশ্রূষা এবং আদর একটু বেশিই পাবেন।

ষঈদ কিংবা অন্য বড় অনুষ্ঠানগুলোয় পিচ্চিরা বড়দের খুব জ্বালাতন করে। যেমন বলা নেই কওয়া নেই, নাতি-নাতনিরা হুট করে পা ছুঁয়ে ফেলে। তারপর হাত বাড়িয়ে ধরে বলে, ‘দাদু, সালামি দাও।’ যেহেতু আপনি বেশি বয়সে বিয়ে করছেন, সেক্ষেত্রে নাতি-নাতনির মুখ দেখার আগেই আপনার ঘণ্টা বেজে যাওয়ার কথা। যদি নাতি-নাতনিই না থাকে, তাহলে সালাম করে আপনার কাছ থেকে সালামি আদায় করার আর থাকবেটা কে, শুনি?

ষআমাদের দেশে শ্বশুরবাড়িতে সাধারণত বড় জামাইয়ের সম্মান একটু বেশিই থাকে। তার চাওয়া-পাওয়ার একটু আলাদা মূল্য দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আপনি যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, তিনি বাড়ির ছোট মেয়ে। তার মানে আপনি হবেন ছোট জামাই। তাই বলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যেহেতু আপনি বেশি বয়সে বিয়ে করবেন, সেক্ষেত্রে বয়সে আপনি সব জামাইয়ের বড় তো হবেনই, আশা করা যায় শ্বশুরের চেয়েও বড় হবেন। সেক্ষেত্রে আপনার চাওয়া-পাওয়ার দাম দেবে না, এমন বুকের পাটা কার আছে বলেন!

ষবিয়ের পর অনেকেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এতে নৈতিকতার অবক্ষয় হয়। আপনি যদি বেশি বয়সে বিয়ে করেন, তাহলে আশা করা যায় বিয়ের পর অন্য কারও দিকে নজর দেওয়ার মতো অবস্থা আপনার থাকবে না। সেক্ষেত্রে আপনার নৈতিকতার কোনো ধরনের ক্ষয় হবে না। এতে আপনার চরিত্র হয়ে উঠবে ফুলের চেয়েও পবিত্র!

You Might Also Like